সিলেটে অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সহায়তায় চোখের আলো ফিরে পেয়েছেন ১৭২ চা শ্রমিক। নয়ন ফাউন্ডেশন নামক একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সহায়তায় প্রাথমিক পর্যায়ে মালনীছড়া ও লাক্কাতুরা চা বাগানে সার্ভে চালানো হয়। সেখান থেকে ১৭২ চা শ্রমিককে চোখে ছানি পড়া রোগী হিসেবে চিহ্নিত করে তাদের অস্ত্রোপচার হয়। এখন পুরোপুরি সুস্থ এসব শ্রমিক। যারা পুনরায় চা পাতা উত্তোলনে নিয়োজিত হয়েছেন।
গতকাল দুপুরে উপমহাদেশের প্রথম চা বাগান মালনীছড়া চা বাগানের কোম্পানি বাংলোয় আয়োজিত অরবসি ইন্টারন্যাশনাল ও নয়ন ফাউন্ডেশনের মধ্যে এক ‘সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর’ অনুষ্ঠানে চা শ্রমিকরা তাদের চোখে আলো ফিরে পাওয়ার অনুভূতি ব্যক্ত করেন।
‘সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন রাগীব রাবেয়া ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান রাগীব আলী। বিশেষ অতিথি ছিলেন সিলেট মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও অরবিস ইন্টারন্যাশনালের বাংলাদেশ চ্যাপ্টারের চেয়ার অধ্যাপক ডা. এএইচএম এনায়েত হোসেন, ডা. খালেদা ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ড. রুমানা ইসলাম, অরবিস ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের দেশীয় প্রতিনিধি ডা. মুনীর আহমেদ, দৈনিক সিলেটের ডাক-এর সম্পাদক আব্দুল হাই। স্বাগত বক্তব্য রাখেন নয়ন ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান সাব্বির আহমদ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন অরবিস ইন্টারন্যাশনালের সিনিয়র প্রোগ্রাম ম্যানেজার ইকবাল হোসেন। বক্তব্য রাখেন মালনীছড়া চা বাগানের ম্যানেজার আজম আলী। অনুভূতি ব্যক্ত করেন চা শ্রমিক সন্তুষ নায়েক ও মিনতি যাদব।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, প্রাথমিক পর্যায়ে মালনীছড়া ও লাক্কাতুরা চা বাগানের শ্রমিকদের চক্ষু পরীক্ষা করা হয়। এর মধ্যে মালীনছড়া চা বাগানে ৮১ জন ও লাক্ষাতুরা চা বাগানের ৮৯ জন চোখে ছানি পড়া চা শ্রমিকের চোখে অস্ত্রোপচার করা হয়।










