জ্বালানি খাতেরে দূরবস্থার জন্য বিগত সরকারের ১৭ বছরের অব্যবস্থাপনাদে দায়ী করেছেন বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। আজ বুধবার দুপুরে সিলেট জেলা প্রশাসন শিল্পকলা একাডেমিতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবসে আলোচনা সভা এবং শহীদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।
জ্বালানি সংকট একটি বড় চ্যালেঞ্জ বলে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আমদানিকৃত গ্যাসের ওপর নির্ভরশীল এ দেশ। জ্বালানি চাহিদা মেটাতে, বিদ্যুৎ নিরবচ্ছিন্ন রাখতে, বিনিয়োগ আনতে কিছু সময় দিতে হবে, সেক্ষেত্রে স্বাভাবিক জীবনযাপন ব্যাহত হলেও মেনে নিতে হবে।
তিনি আরো বলেন, উন্নয়ন একটা সম্মিলিত প্রয়াস। তারুণ্যের শক্তি যেন সামাজিক শক্তি হিসেবে টিকে থাকে, বিনষ্ট না হয়- এটি দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অন্যতম শর্ত। আগামী দিনে সেরকম বাংলাদেশ গড়তে তারুণ্যের শক্তিকে কাজে লাগাবে সরকার।
অনুষ্ঠানে অংশ নেয়া জুলাই যোদ্ধারা অভিযোগ করেন, তারা সরকারি বিভিন্ন দপ্তরে অসম্মানিত হোন। পর্যাপ্ত মর্যাদার আহ্বান জানিয়ে জুলাইযোদ্ধা লিটন আহমদ বলেন, ভাতা পাওয়ার জন্য কেউ আন্দোলনে যাননি। তিনি আরো বলেন, গেজেট প্রাপ্ত জুলাই যোদ্ধারা বিভিন্ন গোষ্ঠীর কাছে হুমকি পান। গেজেট যদি হুমকির কারণ হয়, সেটি কেড়ে নেয়া হোক।
এছাড়া জুলাইয়ের মামলার অগ্রগতি নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, পুলিশের অনেক সদস্য জুলাই যোদ্ধাদের কাছে ঘটনার ফুটেজ চান। অথচ কেউই ফুটেজ নেয়ার জন্য আন্দোলনে যাননি।
অনুষ্ঠানে শহীদ পরিবারের সদস্যরা নিজের স্বজনদের কথা স্মরণ করে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। শহীদ পরিবারের খোঁজ নেয়ার আহ্বান জানান শহীদ পাভেলের বাবা। বাণিজ্যমন্ত্রীকে গোলাপগঞ্জের ৭ শহীদের কবর জিয়ারতের অনুরোধও জানান তিনি।
সিলেটের জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুনের সভাপতিত্বে সভায় সিলেট-৬ আসনের সংসদ সদস্য এমরান আহমদ চৌধুরী, সিলেট সিটি করপোরেশনের প্রশাসক আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী, নগর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রেজাউল হাসা কয়েস লোদী, জেলা পরিষদের প্রশাসক আবুল কাহের চৌধুরী শামীমসহ প্রশাসন ও রাজনৈতিক দলের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।










