গতকাল সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) সম্মেলন কক্ষে সরকারের বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি নিয়ে আয়োজিত সাপ্তাহিক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
কোথাও কোথাও কনসার্ট বন্ধ করা নিয়ে একজন সাংবাদিক প্রশ্ন করেন। জবাবে তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘কনসার্ট বাতিল মানেই সরকার সহযোগিতা করল না, তা নয়। হয়তো নিরাপত্তা ইস্যু ছিল। বাংলাদেশে অনেক কনসার্ট হচ্ছে। বড় বড় কনসার্ট হচ্ছে।’
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘আমাদের তরফ থেকে এ ধরনের মানসিকতা নেই যে কালচারাল কোনো ব্যাপারে বাধাবিঘ্ন হয়, এমন কিছু। এ ধরনের চিন্তা শেয়ার করি না।’
অনুষ্ঠানের শুরুতে তথ্যমন্ত্রী সরকারের ছয় মাসের বিশেষ অর্জন বিষয়ে তথ্য অধিদপ্তর প্রকাশিত ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান: গণতান্ত্রিক অভিযাত্রার ৬ মাস’ শীর্ষক বইয়ের মোড়ক উন্মোচন করেন।
প্রেস ব্রিফিংয়ে তথ্যমন্ত্রী জানান, বিদেশে অবস্থানরত শেখ হাসিনাসহ সব আসামিদের বিচারের স্বার্থে দেশে ফেরত চায় সরকার। তিনি বলেন, ‘শুধু শেখ হাসিনা নন, বাংলাদেশের যেসব ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা রয়েছে এবং যারা বিদেশে অবস্থান করছেন, আমরা তাদের সবাইকে দেশে ফেরত চাই।’
তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘শেখ হাসিনা বর্তমানে ভারতে আছেন, এটা আমরা জানি। বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে তাকে ফেরত আনার জন্য প্রয়োজনীয় শর্ত ও অনুরোধ ভারতের কাছে দেয়া হয়েছে।’
তিনি বলেন, ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর বিষয়টি ভারতীয় পক্ষ আদালতের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিবেচনা করতে পারে।’
আন্দালিভ রহমান পার্থ বলেন, ‘আমার মনে হয়, রাজনৈতিকভাবে সরাসরি সিদ্ধান্ত না নিয়ে বিষয়টি যদি আদালতের ওপর ছেড়ে দেয়া হয়, তাহলে সেটি তার জন্য খুব একটা সুখবর হবে না।’
তিনি আরো বলেন, ‘ইন্টেলেকচুয়াল চিন্তা-চেতনায় যদি কেউ ফ্যাসিজমকে সাপোর্ট বা প্রমোট করে, সে জিনিসকে সামাজিকভাবে ধিক্কার জানানো ছাড়া আমাদের অন্য কিছু করার থাকে না। যারা মুক্ত বাংলাদেশ এবং নতুন স্বাধীন বাংলাদেশের চেতনায় বিশ্বাস করে না, সামাজিকভাবে বয়কট হওয়াই তাদের জন্য সবচেয়ে বড় বিচার।’










