গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে খালেদা জিয়ার শোকপ্রস্তাব নিয়ে আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।
সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, ‘১৯৯১ সালে খালেদা জিয়ার হাত ধরেই এ দেশে সংসদীয় গণতন্ত্রের পুনরায় যাত্রা হয়েছিল। তত্ত্বাবধায়ক সরকার পদ্ধতি চালু হয়েছিল। এমনকি দেশে গণতন্ত্র ও নারী শিক্ষার অগ্রগতি হয়েছিল অভূতপূর্ব। ২০০১ সালে তিনি আবার প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হলেন। আজ আপনারা অনেকেই এ শোক প্রস্তাবে বলেছেন তিনবারের প্রধানমন্ত্রী। তিনি আসলে চারবার শপথ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে। আজকে সেই গণতন্ত্রের মা আমাদের মাঝে নেই। তবে তিনি মানুষের মাঝে আছেন। গণতন্ত্রের অনুপ্রেরণা হিসেবে তিনি জীবিত থাকবেন।’
খালেদা জিয়াকে অপরাজিতা উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলাদেশের রাজনীতিতে এ রকম আর কোনো নজির নেই। উপমহাদেশে আছে কিনা জানি না। যতবারই, যত আসনেই তিনি নির্বাচন করেছেন, ততবারই, তত আসনেই তিনি নির্বাচিত হয়েছেন। তিনি আপসহীন দেশনেত্রী।’
আজকে দীর্ঘ আলাপ করার সময় নেই জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কিন্তু তার (খালেদা জিয়া) জীবন নিয়ে আলাপ করতে গেলে সংসদের অধিবেশন একটি কেন, প্রত্যেকটা অধিবেশনই যেন কম হয়ে যাবে। সুতরাং আমি আজকের এ মহান জাতীয় সংসদে, যেহেতু আমাদের দীর্ঘ ১৭ বছরের রক্তের ওপর দাঁড়িয়ে যেই গণতান্ত্রিক সংগ্রামের ওপর দাঁড়িয়ে, শহীদের আকাঙ্ক্ষার ভিত্তিতে যে ভিত্তি নির্মাণ হয়েছে, তার ভিত্তিতে আমরা এ জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে আছি, সেজন্য আমি আজকে সময় বেশি নেব না।’
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পর খালেদা জিয়ার শোকপ্রস্তাব নিয়ে সংসদ সদস্য ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, সংসদ সদস্য আন্দালিব রহমান পার্থ, সংসদ সদস্য ও বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলামও আলোচনা করেন।










