কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন আটকে দিয়েছে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রামের শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) সকালে শিক্ষার্থীরা একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম রেললাইন অবস্থান নেয়। এতে ঢাকার সঙ্গে চট্টগ্রামের রেল যোগাযোগ বন্ধ হয়ে যায়।
এর আগে গতকাল সোমবার দিনভর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশে বিভিন্ন ছাত্রলীগ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষের পর রাতেও ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। এতে অনেকে আহত হয়েছেন।
শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীদের আন্দোলনের মুখে ২০১৮ সালের ৪ অক্টোবর সরকারি চাকরিতে ১০ শতাংশ নারী কোটা, ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা ও ১০ শতাংশ জেলা কোটা বাতিল করে পরিপত্র জারি করা হয়। ওই পরিপত্রের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ২০২১ সালে রিট করেন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান অহিদুল ইসলামসহ সাতজন। গত ৫ জুন সেই আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ কোটা পদ্ধতি বাতিলের সিদ্ধান্ত অবৈধ ঘোষণা করেন। হাইকোর্টের রায়ের পর নতুন করে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থী ও চাকরিপ্রত্যাশীরা। ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’ ব্যানারে তারা কোটা বাতিলসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ করছিলেন। এর মধ্যে গত মঙ্গলবার চার দফা থেকে দাবি এক দফায় নামিয়ে আনেন আন্দোলনকারীরা। তাদের এক দফা হলো—সব গ্রেড থেকে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করে এবং অনগ্রসর গোষ্ঠীর জন্য কোটাকে ন্যূনতম পর্যায়ে এনে সংসদে আইন পাসের মাধ্যমে কোটা পদ্ধতি সংশোধন করতে হবে।










