চুয়াডাঙ্গায় জবেদা খাতুন (৪৪) নামে এক নারীকে কুপিয়ে হত্যা করেছে মানসিক ভারসাম্যহীন ছেলে মুকুল হোসেন (২৮)। গতকাল বিকালে সদর উপজেলার পদ্মবিলা ইউনিয়নের পিরোজখালী গ্রামে এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। নিহত জবেদা খাতুন ওই গ্রামের আসান আলীর স্ত্রী। স্থানীয়রা ছেলে মুকুলকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।

পদ্মবিলা ইউনিয়নের ৮ নং ওয়ার্ড সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ছেলেটি পাগল ছিল। সে তার মাকে কোনো কারণ ছাড়াই কুপিয়ে হত্যা করেছে।

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ মহসীন জানান, জবেদা খাতুন সংসারের কাজ সেরে বিকালে বারান্দায় বসে ভাত খাচ্ছিলেন। এ সময় তার ছেলে মুকুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। এর আগে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে তাদের বাড়িতে আসা ফুপাতো ভাইকে মুকুল ধারালো অস্ত্র দিয়ে আক্রমণ করতে যায়। ঘটনার পর গ্রামের লোকজন মুকুলকে আটকে রেখে পুলিশে খবর দেয়। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে তাকে ও নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে নিয়ে আসে। মরদেহ সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পর ময়নাতদন্তের জন্য চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। হত্যাকারী ছেলে মুকুল মানসিক ভারসাম্যহীন কিনা তা চিকিৎসকের পরীক্ষার পর সেই প্রতিবেদন হাতে পেলে জানা যাবে।