আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণার পর আজ (গতকাল) শিক্ষার্থীদের পরিবর্তে বিএনপি-জামায়াত তাদের পুরনো আগুন সন্ত্রাস নিয়ে মাঠে নেমেছে। এ হতাহতের দায় নিতে হবে বিএনপি ও জামায়াতকে।’
গতকাল সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন। তিনি জানান, সরকারি চাকরিতে মেধার ভিত্তিতে ৮০ শতাংশ নিয়োগের প্রস্তাব করবে আওয়ামী লীগ। ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘বিএনপি মধ্যযুগীয় কায়দায় আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অসংখ্য স্থানে সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ছাত্রলীগের ওপর নির্যাতন করেছে। ৩০০-এর মতো আহত হয়েছে, যেখানে অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রয়েছে। ছাত্রলীগের নারী কর্মীদের ওপরও হামলা চালিয়েছে। মেয়েদের বেধড়ক পিটিয়েছে। পুলিশ, সাংবাদিকদের ওপরও হামলা চালিয়েছে।’
আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে নিরাপদ জায়গা হিসেবে ব্যবহার করে এরই মধ্যে নৈরাজ্য সৃষ্টি করেছে। শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা বিধানে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান গ্রহণ করেছে। প্রথম থেকেই পুলিশ সহনীয় ভূমিকা পালন করেছে। ফলে রাষ্ট্রপতি বরাবর শিক্ষার্থীরা তাদের স্মারকলিপি প্রদান করতে পেরেছেন।’
সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রাজ্জাক, কামরুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর কবির নানক, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, মাহবুব-উল-আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজম, আহমদ হোসেন, এস এম কামাল হোসেন, বিএম মোজাম্মেল হক, সুজিত রায় নন্দি, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ ও দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া উপস্থিত ছিলেন।










