শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসের ওপর বাংলাদেশ সরকারের আক্রমণ হচ্ছে মানবাধিকারের ওপর আক্রমণ বলে মন্তব্য করেছেন ব্যবসায়ী ও ভেঞ্চার ক্যাপিটালিস্ট বিনোদ খোসলা। ইউনূস সেন্টারের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়। 

ইউনূস সেন্টারের সংবাদ বিজ্ঞাপ্তিতে বিনোদ খোসলা বলেন, ‘ক্ষুদ্রঋণের জনক" ইউনূস তার সমগ্র জীবন দরিদ্রদের জন্য, বিশেষ করে নারীর ক্ষমতায়নে উৎসর্গ করেছেন। সামাজিক ব্যবসা তৈরি করার মাধ্যমে লাখ লাখ মানুষকে, বিশেষ করে নারীদের দারিদ্র্য থেকে বের করে আনতে সাহায্য করেছেন। বর্তমানে বিশ্বের বৃহত্তম ক্ষুদ্র অর্থায়ন প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে গ্রামীণ ব্যাংক এবং এর ৯৫ শতাংশেরও অধিক ঋণগ্রহীতা হচ্ছেন নারী। গত ১০ বছরে কিন্তু পরিস্থিতি সম্পূর্ণ ভিন্ন রূপ নিয়েছে। সরকার উল্টো পথ গ্রহণ করেছে। ইউনূসকে হয়রানি ও অপমান করার জন্য বাংলাদেশ সরকার রাজনৈতিকভাবে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ক্যাম্পেইন দ্বারা একটি বড় ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছে। এ বছরের প্রথম দিকে আদালত ইউনূসকে মিথ্যা অভিযোগে ছয় মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছেন। এর পর তার প্রতিষ্ঠিত ননপ্রফিট প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে আটটির অফিস আকস্মিকভাবে জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা করে। ঠিক এ মুহূর্তে ৮৩ বছর বয়সী একজন বাংলাদেশী কারাগারে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা করছেন। এভাবে ইউনূসকে টার্গেট করার মাধ্যমে সরকার সংস্কারক ও সামাজিক উদ্যোক্তাদের টার্গেট করছে, যারা তাদের কর্তৃপক্ষকে চ্যালেঞ্জ করতে সাহস দেখায়।