১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের দিনটি দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও সংহতির প্রশ্নে নতুন প্রত্যয় সৃষ্টি করেছিল এবং বহুদলীয় গণতন্ত্রের পথ সুগম করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। তিনি বলেন, ‘এমনকি যে দল একসময় একদলীয় শাসন ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত ছিল, সেই আওয়ামী লীগকেও বহুদলীয় গণতন্ত্রের আওতায় রাজনীতি করার সুযোগ দিয়েছিলেন শহীদ জিয়া।’
গতকাল ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা শিল্পকলা একাডেমি প্রাঙ্গণে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জাহিদুল ইসলাম মিঞার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দল চট্টগ্রাম জেলার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. কামাল উদ্দিন, চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার ড. মো. জিয়াউদ্দীন এবং চট্টগ্রাম পুলিশ কমিশনার হাসান মো. শওকত আলীসহ অন্যরা।
তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান তিন ভিত্তি—কৃষি, রেমিট্যান্স ও তৈরি পোশাক খাতের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছিলেন শহীদ জিয়া। বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশের অর্থনীতিকে বহুমাত্রিক ও গতিশীল করতে ফ্রিল্যান্সিং, তথ্যপ্রযুক্তি, বিশেষায়িত শিল্প খাত এবং ক্রীড়াসহ সম্ভাবনাময় নতুন খাতকে সম্পৃক্ত করার পরিকল্পনা গ্রহণ করেছেন। এছাড়া দেশের অর্ধেকের বেশি নারী জনগোষ্ঠীকে নিরাপদ কর্মপরিবেশ ও ন্যায্য সম্মানী নিশ্চিতের মাধ্যমে অর্থনীতির মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে।’










