পবিত্র
ঈদুল ফিতরের মাত্র দুদিন পরই বাংলা নববর্ষ। নতুন বছরকে বরণ করতে এরই মধ্যে সম্পন্ন
হয়েছে প্রায় সকল প্রস্তুতি। তবে অন্যান্য বারের তুলনায় এবারের বৈশাখে বেচাকেনা তেমন একটা নেই। ক্রেতা বিক্রেতা ও সংশ্লিষ্টদের
সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ঈদের কারণে রাজধানী ঢাকা প্রায় ফাঁকা। ফলে বৈশাখকেন্দ্রীক
বেচাকেনায় সেই প্রভাব পড়েছে। তবে সীমিত পরিসরে অল্প কিছু স্থানে বৈশাখী কেনাবেচা চলছে।
শনিবার
(১৩ এপ্রিল) রাজধানীর নিউমার্কেট, এলিফ্যান্ট রোড, শাহবাগ আজিজ সুপার মার্কেট, বসুন্ধরা
সিটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে প্রায় সব দোকান-পাট বন্ধ। তবে আজিজ সুপার মার্কেট সংলগ্নস্থানে
বৈশাখী কাপড়ের মেলা বসেছে। অন্য স্থানগুলোতে দোকানপাট বন্ধ হওয়ায় সেখানে ক্রেতাদের
ভিড় দেখা গেছে।
রাজধানীর
আজিজ সুপার মার্কেটের নিচে বৈশাখ উপলক্ষে পোশাক কিনতে এসেছেন দাঁড়িকমা প্রকাশনার স্বত্তাধিকারী
আলমগীর রুমী। নিজের অনুভূতি ব্যক্ত করে বণিক বার্তাকে তিনি বলেন, বাঙালির একটি অন্যতম
প্রধান সার্বজনীন উৎসব পহেলা বৈশাখ। এ জন্য পোশাক কিনতে এসেছি। তবে এবারে ঈদের ছুটির
কারণে অনেকেই ঢাকার বাইরে আছেন। সে কারণে হয়তো প্রাণচাঞ্চল্যটা একটু কম।
আজিজ
সুপার মার্কেটের বৈশাখী মেলায় স্টল নিয়েছে পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান আর্টিজান। প্রতিষ্ঠানটির
ব্যবস্থাপক জলিল হোসেন বণিক বার্তাকে বলেন, গত কয়েক বছর বাংলা নববর্ষ রোজার ভেতরে পড়ায়
সেভাবে বেচাবিক্রি হয়নি। এবার ঈদের পর হওয়ায় বেচাবিক্রি হচ্ছে। গতকাল থেকে আমরা বেচাকেনা
করছি। আশা করি আগামীকালও ক্রেতা পাবো।
একই
স্থানে স্টল নিয়েছে পোশাক বিক্রেতা প্রতিষ্ঠান অন্যরকম। প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপক রোকসানা
বণিক বার্তাকে বলেন, বৈশাখ উপলক্ষে বিক্রি ভালোই হচ্ছে। তবে ঈদের ছুটি না হলে আরো ভালো
হতো। তারপরও ক্রেতাদের যথেষ্ট সাড়া পাচ্ছি।










