তিনি জানান, এবার কোরবানির পশু আমদানির প্রয়োজন নেই, দামও সহনীয় পর্যায়ে থাকবে। গতকাল দুপুরে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ে ঈদুল আজহা উদযাপনে পশুর চাহিদা নিরূপণ, সরবরাহ ও পরিবহন পরিস্থিতিবিষয়ক এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী জানান, এ বছর কোরবানির জন্য দেশে পশুর সম্ভাব্য চাহিদা নির্ধারণ করা হয়েছে ১ কোটি ১ লাখ ৬ হাজার ৩৩৪টি। এর বিপরীতে দেশে প্রাপ্যতা রয়েছে ১ কোটি ২৩ লাখ ৩৩ হাজার ৮৪০টি পশু। সেই হিসাবে এবার প্রায় ২২ লাখ ২৭ হাজার ৫০৬টি পশু উদ্বৃত্ত থাকবে। কোরবানিযোগ্য পশুর মধ্যে ৫৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৭৮টি গরু-মহিষ, ৬৬ লাখ ৩২ হাজার ৩০৭টি ছাগল-ভেড়া ও ৫ হাজার ৬৫৫টি অন্যান্য প্রজাতির প্রাণী।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ১৬ ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ১১টি পশুর হাট ইজারার জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে বলেও তথ্য দেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘যেখানে সেখানে হাট বসতে আমরা দেব না। নির্দিষ্ট জায়গায় হাট বসবে।’ পশুর হাট ও ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী তৎপর থাকবে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, তারা সাদা পোশাকেও দায়িত্ব পালন করবে। অনলাইনে পশু বেচাকেনায় খাজনা বা হাসিল দিতে হবে না। তিনি আরো বলেন, ‘সড়ক ও নৌপথে কোরবানির গরু বহনকারী যানবাহনে কোনো চাঁদাবাজি হতে দেয়া হবে না। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেয়া আছে।’










