গ্রাম ও দুর্গম এলাকায় রবির সেবা সম্প্রসারণের তাগিদ দিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। শহর ও মেগাসিটির পাশাপাশি নদীবেষ্টিত ও পার্বত্য এলাকাতেও এ সিমের সেবা পৌঁছে দেয়ার আহ্বান জানান তিনি।

আজ বুধবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে রবির করপোরেট অফিসে আয়োজিত পাওয়ারিং দ্যা ফিউচার: রবি কম্প্লিটস ঢাকা মেট্রোনাইজেশন শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আলোচনায় তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরো বলেন, সরকারের প্রত্যাশা হলো জনবান্ধব উদ্যোগের সুফল যেন শুধু মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে সরাসরি সাধারণ গ্রাহকদের কাছে পৌঁছে। শুধু শহর ও মেগাসিটিতে কেন্দ্রীভূত না থেকে গ্রামের মানুষকেও রবির ভালো সেবা দিতে হবে। টাওয়ার শেয়ারিংয়ের কারণে সেবা সম্প্রসারণ সহজ হবে বলেও তিনি মনে করেন।

মালয়েশিয়াভিত্তিক আজিয়াটা গ্রুপের প্রতিষ্ঠান হিসেবে রবির কাছ থেকে ভবিষ্যতে আরো বিনিয়োগ প্রত্যাশা করে সরকার। গ্রাহকদের জন্য মূল্য সংযোজন ও সাশ্রয়ী সেবা নিশ্চিতের পাশাপাশি দেশজুড়ে সেবা সম্প্রসারণে রবির উদ্যোগ অব্যাহত থাকবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি, ডাক ও টেলিযোগাযোগ উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ বলেন, দেশের টেলিযোগাযোগ খাতের উন্নয়নে সরকার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও অপারেটরদের একসঙ্গে কাজ করতে হবে। নেটওয়ার্ক উন্নয়নের পাশাপাশি ডিভাইসের সুবিধা বাড়ানো জরুরি। দেশে প্রায় ৫০ শতাংশ মানুষ এখনো ফিচার ফোন ব্যবহার করছেন উল্লেখ করে তিনি কম দামে স্মার্টফোন সহজলভ্য করার উদ্যোগের কথা জানান।

বিটিআরসি চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব) এমদাদ উল বারী বলেন, শুধু ইন্টারনেট সংযোগ থাকাই যথেষ্ট নয়, প্রয়োজন মানসম্মত ইন্টারনেট। ডিজিটাল বিভাজন কমাতে মানসম্মত সেবা বিস্তারের পাশাপাশি গ্রাহকদের সচেতন করতেও অপারেটরদের এগিয়ে আসতে হবে।

রবির এমডি ও সিইও জিয়াদ সাত্তারা বলেন, রবি বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় ডেটা অপারেটর। ৪ হাজার ৮০০টির বেশি সাইট আধুনিকায়নের মাধ্যমে ২জি ও ৪জি নেটওয়ার্ক উন্নত করা হয়েছে এবং অনেক সাইট ৫জির জন্য প্রস্তুত করা হয়েছে। ঢাকার পাশাপাশি চট্টগ্রামেও নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের কাজ চলছে।

অনুষ্ঠানে নেটওয়ার্ক আধুনিকায়নের বিস্তারিত তুলে ধরেন রবির চিফ টেকনোলজি অফিসার পেরিহান এলহামি আহমেদ মেতাওয়েহ্।