দেশের নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে একই প্রশ্নপত্রে আজ সকাল ১০টায় উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষা শুরু হয়েছে। শুধু কারিগরি ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পৃথক প্রশ্নপত্রে হচ্ছে পরীক্ষা।
আজ প্রথম দিন বাংলা প্রথমপত্র পরীক্ষা দিচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। লিখিত পরীক্ষা চলবে ২ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত। এরপর ১৫ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হবে।
এবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন মোট ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ শিক্ষার্থী, যা গত বছরের তুলনায় ১৯ হাজার ৪৭২ জন বেশি। এর মধ্যে নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ১০ লাখ ৬৯ হাজার ৭১৪ জন। মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে অংশ নিচ্ছেন ২ লাখ ৮৬৯ জন।
সারা দেশে ২ হাজার ৯৯৭ কেন্দ্রে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। এর মধ্যে ১৪৫ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, যার ৪০টিই ঢাকায়। পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে আয়োজন করতে প্রশ্নপত্র বিতরণ, উত্তরপত্র সংরক্ষণ, ক্যালকুলেটর ব্যবহারের নিয়ম, শৌচাগার তল্লাশিসহ ৩৫ দফা নির্দেশনা জারি করেছে শিক্ষা কর্তৃপক্ষ।
এবারই প্রথমবারের মতো কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মকর্তাদের কাছে বডি-ওর্ন ক্যামেরা থাকবে। এছাড়া নকল প্রতিরোধে সব পরীক্ষা কেন্দ্রে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরা পর্যবেক্ষণের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি মনিটরিং সেল গঠন করা হয়েছে। এ সেল থেকে বাংলাদেশের যেকোনো প্রান্তের যেকোনো পরীক্ষা কেন্দ্রের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করা যাবে।
এসব বিষয়ে গতকাল আন্তঃশিক্ষা সমন্বয় বোর্ড কমিটির সভাপতি অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বলেছেন, প্রশ্নফাঁসের কোনো সম্ভাবনা নেই। সুষ্ঠু ও নকলমুক্ত পরিবেশে পরীক্ষা আয়োজনের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। তবে প্রশ্নফাঁসের মতো কোনো ঘটনা ঘটলে সেদিনের পরীক্ষা সারা দেশে স্থগিত করে পরে নতুন প্রশ্নপত্রে নেয়া হবে।
অন্যদিকে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন জানিয়েছেন, কোনো পরীক্ষা কেন্দ্রে নকলের ঘটনা ধরা পড়লে শুধু পরীক্ষার্থী নয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রধানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।










