দেশে চলমান ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করে আট দফা দাবিতে কৃষির প্রাণকেন্দ্র খামারবাড়ির দখল নিয়েছে কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা।

আজ সোমবার (২১ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে মূল ফটকে ব্যানারটা নিয়ে তারা প্রবেশ এবং বহির্গমন বন্ধ করে দেয়। ফলে কৃষি মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করতে পারেননি।

এদিকে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ এবং সেনাবাহিনীর সতর্ক অবস্থান থাকলেও খামারবাড়ি ঘিরে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। খামারবাড়ির সামনের এক পাশের রাস্তা বন্ধ করে আন্দোলন করছে শিক্ষার্থীরা।

khama 2

শিক্ষার্থীদের দাবি মধ্যে অন্যতম হল—কৃষি ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের জন্য স্বতন্ত্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করা। তাছাড়া বিদ্যমান বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষার সুযোগ দিতে হবে।

দেশে বর্তমানে ১৮টি কৃষি ডিপ্লোমা প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউট রয়েছে।

এদিকে, ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের দাবিকে ‘অযৌক্তিক’ আখ্যা দিয়ে পাল্টা অবস্থান নিয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন, ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমেই কেবল ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার সুযোগ পেতে পারে। কোনোভাবেই কোটার ভিত্তিতে তাদের ভর্তির সুযোগ দেয়ার অযৌক্তিক দাবি যেন মেনে নেয়া না হয়।

khama 3

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বণিক বার্তাকে বলেন, ‘তাদের আটটি দাবির মধ্যে তিনটি দাবি যৌক্তিক সেগুলো মেনে নেয়া যায়। কিন্তু পাঁচটি দাবি অযৌক্তিক। যেমন তারা কোনো ধরনের ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই কোটার ভিত্তিতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ চায়, এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তাছাড়া সকাল থেকে তারা খামারবাড়ি দখল করে কর্মকর্তাদের জিম্মি করে রেখেছে। তার প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছি।'

এদিকে ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীদের দাবিকে অযৌক্তিক আখ্যা দিয়ে পাল্টা অবস্থান নিয়েছে শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীরা। তারা বলছেন ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে ই কেবল ডিপ্লোমা শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেতে পারে। কোনভাবেই কোঠার ভিত্তিতে তাদেরকে ভর্তির সুযোগ দেয়ার অযৌক্তিক দাবি যেন মেনে নেয়া না হয়।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালযের কৃষিবিজ্ঞান ফ্যাকাল্টির দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী মেহেদী হাসান বণিক বার্তাকে বলেন, তাদের আটটি দাবির মধ্যে তিনটি দাবি যৌক্তিক সেগুলো মেনে নেয়া যায়। কিন্তু পাঁচটি দাবি অযৌক্তিক। যেমন তারা কোন ধরনের ভর্তি পরীক্ষা ছাড়াই কোঠার ভিত্তিতে উচ্চ শিক্ষার সুযোগ চায় এটা কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না। তাছাড়া সকাল থেকে তারা খামারবাড়ি দখল করে কর্মকর্তাদের জিম্মি করে রেখেছে তার প্রতিবাদে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদ জানাচ্ছি।