যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার বলেছেন, বিক্ষোভকারী, সাধারণ নাগরিক এবং সরকার—সব পক্ষকেই সহিংসতা থেকে বিরত থাকার জন্য আমরা অনুরোধ করে যাচ্ছি।

বুধবার (২৪ জুলাই) ওয়াশিংটনে অনুষ্ঠিত নিয়মিত ব্রিফিং চলাকালে বাংলাদেশে সন্ত্রাসবাদের প্রসঙ্গ টেনে এক সাংবাদিকের প্রশ্ন ছিল বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা বজায় রাখার এবং সন্ত্রাসী হুমকি মোকাবেলার প্রচেষ্টার জন্য বাংলাদেশ সরকারকে আবার সমর্থন করার জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কী পরিকল্পনা করছে?

জবাবে মিলার বলেন, আমি গত কয়েকদিন ধরে বলেছি আমরা বাংলাদেশে সাম্প্রতিক সব সহিংসতার নিন্দা জানাই। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশের স্বাধীনতাকে সমর্থন করি। আমরা শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার প্রয়োগকারীদের বিরুদ্ধে সহিংসতার নিন্দা করি। শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে যারা কেবল সহিংসতার অজুহাতে পরিণত করেছে তাদের প্রতি আমরা নিন্দা জানাই। সব ক্ষেত্রেই আমরা সহিংসতার নিন্দা জানাই।

আমরা চাই যেভাবে সারা বিশ্বের মানুষ তাদের মৌলিক স্বাধীনতাগুলো প্রয়োগ করতে সক্ষম হয়, সেভাবে বাংলাদেশের জনগণ তাদের মৌলিক স্বাধীনতার প্রয়োগ করতে পারবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে বাংলাদেশের চলমান নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ স্পষ্ট করে ম্যাথিউ মিলার বলেন, আগেই ঘোষণা করেছি যে আমরা ঢাকায় আমাদের কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সব বিকল্প অনুসন্ধান করছি। আমরা ঢাকাস্থ দূতাবাসে অপরিহার্য নয় এমন কর্মী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের স্বেচ্ছায় প্রস্থানের অনুমোদন দিয়েছি। বাংলাদেশে অবস্থানরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের কনস্যুলার ও অন্যান্য সেবা প্রদানের জন্য দূতাবাস উন্মুক্ত রয়েছে। যেকোনো আমেরিকান নাগরিকের নিরাপত্তা স্পষ্টত আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার এবং যেকোনো মার্কিন নাগরিক তাদের নিরাপত্তা ও নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন থাকলে, তারা যদি কোনো বিষয়ে আলোচনা করতে চান দূতাবাসে যোগাযোগ করতে পারেন।