সয়াবিন
তেল সংকটে যশোরে টিসিবির পণ্য দুই মাস ধরে বিক্রি বন্ধ রয়েছে। ২০২২ সাল থেকে প্রতি মাসে পণ্য সরবরাহ করা হলেও এ বছর ফেব্রুয়ারি
থেকে সয়াবিন তেলের মজুদ না থাকায় থমকে
গেছে এ কার্যক্রম। এতে
জেলার ১ লাখ ৩৭
হাজার ৪৩৯ কার্ডধারী এ সুবিধা থেকে
বঞ্চিত হচ্ছেন।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, জেলার আট উপজেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সদর উপজেলায় কার্ডধারী ক্রেতা রয়েছেন ৩৪ হাজার ১০২ জন। সবচেয়ে কম চৌগাছায় ১১ হাজার ৫৮১ জন। এছাড়া বাঘারপাড়ায় ১১ হাজার ৮২০, ঝিকরগাছায় ১৩ হাজার ২৫৫, অভয়নগরে ১২ হাজার ১৭২, শার্শায় ১৮ হাজার ৪৩৮, মণিরামপুরে ২১ হাজার ৬২৬ ও কেশবপুরে ১৪ হাজার ৪৪৫ জন টিসিবির কার্ডের আওতায় রয়েছেন। কার্ডধারী একজন ক্রেতা ভর্তুকি মূল্যে এক কেজি ছোলা, দুই কেজি মসুর ডাল, পাঁচ কেজি চাল, দুই লিটার সয়াবিন তেল ও এক কেজি চিনি কিনতে পারবেন।
এ বিষয়ে জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিজিবুল ইসলাম জানান, টিসিবি কার্যক্রম শুরু হওয়ার পর থেকে প্রতি মাসেই ক্রেতাদের কাছে এ সেবা পৌঁছে দেয়া হয়েছে। তবে এ বছর ফেব্রুয়ারি থেকে সয়াবিন তেলের মজুদ না থাকায় জটিলতা তৈরি হয়েছে। দ্রুতই সংকট কেটে যাবে বলেও জানান তিনি।
যে পরিমাণ মজুদ আছে তা দিয়ে ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে শার্শা উপজেলার ১৮ হাজার ৪৩৮ কার্ডধারী ক্রেতার মাঝে টিসিবি পণ্য সরবারহ করা হয়েছে বলে জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) এসএম শাহীন। তিনি বলেন, ‘অন্যান্য জেলায় টিসিবির পণ্য সঠিক সময় দেয়া হয়েছে। আমাদেরও লক্ষ্য ছিল রমজানে অন্তত দুবার পণ্য বিতরণ করা। তবে সয়াবিন তেলের মজুদ না থাকায় কার্যক্রমটি বিঘ্নিত হয়েছে। তবে দ্রুতই সংকট সমাধান হবে। ঈদের আগেই জেলার কার্ডধারী ক্রেতার কাছে আমরা টিসিবির পণ্য পৌঁছে দিতে পারব।’










