যশোরে পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এক কর্মশালায় বাড়িতে সন্তান প্রসবের হার শূন্যের কোঠায় নামিয়ে আনার তাগিদ দিয়েছেন বক্তারা। স্বাস্থসেবা প্রদানসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোয় শতভাগ সন্তান প্রসব নিশ্চিত করতে এ তাগিদ দেয়া হয়। সিজারের পরিবর্তে স্বাভাবিক প্রসব নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানানো হয়। 

গতকাল যশোর পিটিআই মিলনায়তনে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা পরিবার পরিকল্পনা অধিদপ্তরের এমসিএইচ সার্ভিসেস ইউনিটের ব্যবস্থাপনায় যশোর সদর উপজেলা পরিবার পরিকল্পনা কার্যালয় এর আয়োজন করে। 

কর্মশালায় জানানো হয়, বর্তমানে দেশে ৬৫ শতাংশ প্রসব স্বাস্থসেবা প্রদানসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে সম্পন্ন হচ্ছে। আর ৩৫ শতাংশ প্রসব এখনো বাড়িতেই সম্পন্ন হচ্ছে। বাড়িতে সন্তান প্রসবের কারণে প্রসূতি মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং চিকিৎসাসংশ্লিষ্ট জরুরি সেবা মিলছে না। 

বক্তারা বলেন, বর্তমানে দেশে যে ৬৫ শতাংশ প্রসব প্রতিষ্ঠানে হচ্ছে তার মধ্যে ৪৫ শতাংশই হচ্ছে বেসরকারি ক্লিনিকে। আর এই ক্লিনিকগুলোয় সিজারিয়ান সেকশনের পরিবর্তে সাধারণ প্রসব নেই বললেই চলে। এ ব্যাপারে চিকিৎসকদের আরো যত্নবান হতে হবে।