পরিবহন ধর্মঘট উপেক্ষা করে বিভাগীয় গণসমাবেশের
আগে থেকেই সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অবস্থান নিয়েছেন বিএনপি নেতাকর্মীরা। আজ শুক্রবার
সন্ধ্যার আগেই মাদ্রাসা মাঠ কানায় কানায় ভরে গিয়েছে।
একাধিক দাবি নিয়ে দেশজুড়ে বিভাগীয় গণসমাবেশ
করছে বিএনপি। এর ধারাবাহিকতায় আগামীকাল শনিবার সিলেট আলিয়া মাদ্রাসা মাঠে অনুষ্ঠিত
হবে এ বিভাগের সমাবেশ। অন্য সমাবেশেগুলোর মতোই এখানেও পরিবহন মালিকদের দেয়া ধর্মঘটের
মুখোমুখি হয়েছে দলটি।
দলটির নেতারা বলছেন, সব বাধা উপেক্ষা করে
জনসভা রূপ নেবে জনসমুদ্রে। এর মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় নেতারাও সিলেটে পৌঁছে গিয়েছেন।
এ সমাবেশে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য
দেয়ার কথা রয়েছে।
আজ সন্ধ্যায় সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, বিএনপি
নেতাকর্মীদের পদচারণায় উৎসবমুখর সিলেট সরকারি আলিয়া মাদ্রাসা মাঠ। জেলাওয়ারি ক্যাম্প
খোলা হয়েছে মাঠে। হবিগঞ্জ, মৌলভীবাবাজার ও সুনামগঞ্জের আলাদা আলাদা ক্যাম্প রয়েছে।
যেখানে রয়েছে খাবারের ব্যবস্থা।
জানা গিয়েছে, পরিবহন ধর্মঘটের ভোগান্তি এড়াতে দুদিন আগেই মাঠে চলে এসেছেন পার্শ্ববর্তী জেলার নেতাকর্মীরা। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত থেকেই মাঠেই ঘুমাচ্ছেন তারা, মাঠেই চলছে খাওয়া-দাওয়া।
এ ছাড়া মাঠের বাইরে সিলেট নগরীর ২২টি কমিউনিটি
সেন্টার ভাড়া নিয়েছে জেলা বিএনপি। যেখানে বিভিন্ন জেলা থেকে আগতদের জন্য থাকা ও খাওয়ার
ব্যবস্থা রয়েছে।
এ প্রসঙ্গে বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা
খন্দকার আবদুল মুক্তাদির বলেন, বিএনপির সমাবেশে জনসমাগম ঠেকাতে ধর্মঘট দেয়া হয়েছে।
কিন্তু কোনো ষড়যন্ত্রই সমাবেশে উপস্থিতি কমাতে পারবে না। যত বাধাই আসুক, সমাবেশ সফল
হবে। সিলেটের সমাবেশ ইতিহাস সৃষ্টি করবে।
দলটির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও
সিলেট সিটি মেয়র আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, বিএনপির গণসমাবেশ শনিবার। তবে শুক্রবার রাতের
মধ্যেই সিলেট নগরীর জনসমুদ্রে পরিণত হয়ে যাবে।
এ দিকে বিএনপির সমাবেশ সামনে রেখে সিলেট বিভাগজুড়ে
ধর্মঘট ডাকায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন পরিবহন নেতারা। তবে ধর্মঘটের সঙ্গে রাজনৈতিক যোগসূত্র
নেই বলে দাবি তাদের। অপরদিকে বাস বন্ধ থাকায় ভোগান্তিতে পড়েছেন সিলেট, সুনামগঞ্জ ও
মৌলভীবাজারের সাধারণ যাত্রীরা।










