বাগেরহাটে ভৈরব ও চিত্রা নদী পাড়ের ৩০টি অবৈধ স্থপানা উচ্ছেদ করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো)। আজ বেলা ১১টায় অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিনুজ্জামানের নেতৃত্বে চিতলমারী বাজার সংলগ্ন নদীর তীরে এ উচ্ছেদ অভিযান শুরু হয়। এ সময় পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ-উজ-জামান খান, চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন। অভিযানে মরা চিত্রা নদীর পারে অবস্থিত পাকা-আধা পাকা ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এর আগে সকাল ১০টায় বাগেরহাট শহরের দড়াটানা সেতুর নিচে বেশকিছু অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়।
চিতলমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মারুফুল আলম বলেন, মরা চিত্রার তীরে উচ্ছেদ অভিযানের ফলে সরকারি জমি দখল মুক্ত হয়েছে। উচ্ছেদের পরে আর কেউ যাতে দখল না করতে পারে সে দিকে আমাদের নজর থাকবে। বাজার সংলগ্ন নদীর তীরে আমাদের একটি সড়ক নির্মাণেরও পরিকল্পনা রয়েছে। যাতে নদী পথে লোকজন এসে সহজে বাজারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করতে পারেন।
অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শাহিনুজ্জামান বলেন, চিত্রা নদীর পাড়ের প্রায় তিন কিলোমিটার জায়গায় আমরা অভিযান পরিচালনা করব। এর মাধ্যমে ২০টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। এই উচ্ছেদ অভিযান অব্যাহত থাকবে।
পানি উন্নয়ন বোর্ড বাগেরহাটের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. নাহিদ-উজ-জামান খান বলেন, বাগেরহাটে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ৪ হাজার ২০০ একর জমি রয়েছে। দীর্ঘদিন উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা না করায় বেশ কিছু জমি বেদখল রয়েছে। জেলার ছোট বড় ৩০টি নদী ও খালের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কাজ শুরু করেছি। পাশাপাশি এসব খালের নাব্য ফিরিয়ে আনতে পুনখনন করা হবে।









