সোমবার সকাল ৮টা থেকে গতকাল সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় এ মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুসারে, এ সময় সারা দেশে আরো ১ হাজার ১৮৬ শিশুর শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। হাম শনাক্ত হয়ে মারা যাওয়া দুই শিশু ঢাকা বিভাগের। আর হামের উপসর্গে খুলনা বিভাগের একজন, রাজশাহী বিভাগের একজন ও সিলেটে দুজন মারা গেছে।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গে দেশে ২৬৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হাম শনাক্ত হওয়ার পর মারা গেছে ৫৪ শিশু। অর্থাৎ নিশ্চিত হাম ও উপসর্গ নিয়ে মোট মৃত্যু হয়েছে ৩১৭ শিশুর।

এর আগের ২৪ ঘণ্টায় সারা দেশে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আরো ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়, যা গত ৫১ দিনের মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড। তার আগের ২৪ ঘণ্টায় এ সংখ্যা ছিল ১২।

er

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হামের উপসর্গ দেখা দেয় ৪২ হাজার ৯৭৯ শিশুর। এ সময় হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয় ২৯ হাজার ৮৩১ শিশু। এর মধ্যে সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে বাড়িতে ফিরেছে ২৬ হাজার ৩৬৮ শিশু। এ সময়ে ৫ হাজার ৭২৬ শিশুর শরীরে হাম শনাক্ত হয়।

এখন পর্যন্ত সবচেয়ে বেশি ১৯ হাজার ৫০২ শিশু হাম সন্দেহে হাসপালে গেছে ঢাকা বিভাগে। এর মধ্যে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৮৫৮ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, দেশে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি এখনো উদ্বেগজনক। আক্রান্ত ও হাসপাতালে ভর্তির সংখ্যা না কমায় জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা শঙ্কা প্রকাশ করেছেন। শিশুর মধ্যে সংক্রমণের উচ্চহার নিয়ন্ত্রণে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ ও জনসচেতনতার ওপর জোর দেয়া হচ্ছে। হাম পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার সারা দেশে গত ৫ এপ্রিল থেকে বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি পরিচালনা করছে।