সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী নাহিদ ইজাহার খান বলেছেন, ‘অসাম্প্রদায়িক চেতনায় জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম ছিলেন অনন্য। যখন বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ঘৃণা, সাম্প্রদায়িকতার বিষ মানুষের জীবনকে কলুষিত করছে, তখন আমাদের জীবনে জাতীয় কবির প্রয়োজনীয়তা স্পষ্ট হয়ে ওঠে।’
গতকাল রাজধানীর শাহবাগে জাতীয় জাদুঘরের বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন নেছা মুজিব মিলনায়তনে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের ১২৫তম জন্মবার্ষিকীর অনুষ্ঠানে সভাপতির বক্তব্যে প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী এমপি।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে সংসদ উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের অগ্নিঝরা কবিতা ও গান আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধে ছিল অনন্ত প্রেরণার উৎস। তিনি অন্যায়, অবিচার, শোষণমুক্ত একটি ন্যায়ভিত্তিক আলোকিত সমাজ ব্যবস্থার স্বপ্ন দেখেছিলেন। তিনি তার সৃষ্টি সম্ভার দিয়ে জীবন-কর্ম এবং উদ্দীপনা দিয়ে বাঙালি জাতিসত্তাকে উজ্জীবিত করে তুলেছিলেন।’
প্রতিমন্ত্রী জাতির পিতার অবদানের কথা স্মরণ করে বলেছেন, ‘১৯৭২ সালের ২৪ মে, স্বাধীন বাংলাদেশে কবিকে নিয়ে এসেছিলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদা ও নাগরিকত্ব প্রদান করেছিলেন। বঙ্গবন্ধু তার জীবনে বরাবরই শোষিতের পক্ষ নিয়েছেন, যেমনটি কবির জীবন আদর্শে আমরা দেখতে পাই।’
অনুষ্ঠানে কবি পরিবারের সদস্য খিলখিল কাজী, সংস্কৃতি সচিব খলিল আহমদ, বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের ট্রাস্টি মফিদুল হক, বাংলাদেশ জাতীয় জাদুঘরের মহাপরিচালক মো. কামরুজ্জামান অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন। এছাড়া অনুষ্ঠানে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তর ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাসহ বিভিন্ন পর্যায়ের গণ্যমান্য ব্যক্তি উপস্থিত ছিলেন।










