সম্প্রতি রফতানি আয়ের তথ্য সমন্বয় করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতে সদ্য সমাপ্ত ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ১১ মাসে রফতানি আয়ের পরিমাণ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমে গেছে। রফতানি আয় কমে যাওয়ার কারণে দেশের জিডিপি ও মাথাপিছু আয় কমে যাবার আশঙ্কা প্রকাশ করে সম্প্রতি গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে অর্থ মন্ত্রণালয় বলছে, এটি সঠিক নয়। আজ মঙ্গলবার (১৬ জুলাই) অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ বিষয়ে একটি সংবাদ বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়েছে।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা গাজী তৌহিদুল ইসলামের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় প্রকাশিত রফতানির উপাত্ত সংক্রান্ত সংবাদের প্রতি অর্থ মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টি আকর্ষিত হয়েছে। সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের রফতানি তথ্যের মধ্যে সমন্বয় সাধনের জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থা কর্তৃক উপাত্ত সংগ্রহের ক্ষেত্রে বর্তমানে একই পদ্ধতি অবলম্বন করা হচ্ছে। ফলে আশা করা যায় এখন থেকে বাংলাদেশ ব্যাংক, এনবিআর ও রফতানি উন্নয়ন ব্যুরোর (ইপিবি) প্রকাশিত রফতানি তথ্যে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকবে না।
অর্থ সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, রফতানির বিপরীতে যে পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা প্রকৃতপক্ষে দেশে আসে বাংলাদেশ ব্যাংক শুধুমাত্র সেই পরিমাণ অর্থ দেশের রফতানির পরিমাণ হিসেবে প্রকাশ করে থাকে। জিডিপির হিসাব করার সময় বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) বাংলাদেশ ব্যাংকের এ হিসাবকেই বিবেচনায় নেয়। ফলে সম্প্রতি পত্র-পত্রিকায় রফতানি কমে যাওয়া এবং এর ফলে জিডিপি ও মাথাপিছু আয় কমে যাবার যে আশঙ্কা করা হয়েছে তা সঠিক নয়। আরো উল্লেখ্য, ব্যালেন্স অব পেমেন্টের চলতি হিসাব এবং আর্থিক হিসাবের কিছু ক্ষেত্রে উপাত্তের পুনর্বিন্যাস হয়েছে। তবে এর ফলে ব্যালেন্স অব পেমেন্টের সার্বিক ভারসাম্যে কোনো পরিবর্তন আসবে না। এরই মধ্যে সকলের অবগতির জন্য পুনর্বিন্যস্ত ব্যালেন্স অব পেমেন্ট বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত হয়েছে। রফতানির ক্ষেত্রে প্রদত্ত নগদ আর্থিক প্রণোদনার পরিমাণ বাংলাদেশ ব্যাংক কর্তৃক প্রকাশিত প্রকৃত রফতানি আয় প্রাপ্তি এবং থার্ড পার্টি অডিটরের মাধ্যমে প্রকৃত নগদ প্রণোদনা নিরুপণের মাধ্যমে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। সুতরাং, সরকার কর্তৃক রফতানির বিপরীতে যে নগদ আর্থিক প্রণোদনা প্রদান করা হয়েছে তা সঠিক রয়েছে বলে অর্থ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।










