এর মধ্যে দুই কার্গো দক্ষিণ কোরিয়ার কোম্পানি থেকে এবং এক কার্গো যুক্তরাজ্য থেকে আনা হবে। এতে ব্যয় হবে ২ হাজার ৬৫৪ কোটিও বেশি টাকা।
গতকাল সরকারি ক্রয় সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির বৈঠকে এই এলএনজি আমদানির প্রস্তাব অনুমোদন দেয়া হয়েছে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির আহ্বায়ক অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
যুক্তরাজ্যের টোটাল ইঞ্জিনিয়ারিং গ্যাস অ্যান্ড পাওয়ার লিমিটেড থেকে ৯০৭ কোটি ৮৪ লাখ ৬৪ হাজার ৩০৪ টাকা ব্যয়ে এক কার্গো এলএনজি আমদানি করা হবে। এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউর মূল্য ধরা হয়েছে ২১ দশমিক ৫৮ ডলার। গত বছরের ৯ ডিসেম্বরে যুক্তরাজ্যের এ প্রতিষ্ঠান থেকেই এক কার্গো এলএনজি কেনার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। সে সময় মূল্য ধরা হয় ৪৩৬ কোটি ৭ লাখ ৬৫ হাজার ৮৫২ টাকা। অর্থাৎ নতুন আমদানিতে দ্বিগুণেরও বেশি খরচ হচ্ছে।
দক্ষিণ কোরিয়া থেকেও এলএনজি আনতে দ্বিগুণের বেশি অর্থ খরচ হচ্ছে। দেশটির পসকো ইন্টারন্যাশনাল করপোরেশন থেকে একটি লটে এক কার্গো এলএনজি কিনতে ব্যয় ধরা হয়েছে ৮৭৩ কোটি ৩৪ লাখ ৯৯ হাজার ৪৮৮ টাকা। এক্ষেত্রে প্রতি এমএমবিটিইউর মূল্য ধরা হয়েছে ২০ দশমিক ৭৬ ডলার।










