কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনের অংশ হিসেবে গতকাল দেশব্যাপী বিভিন্ন সরকারি স্থাপনায় দিনব্যাপী হামলা ও ভাংচুর করা হয়েছে। এ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, ‘কারা সরকারি স্থাপনায় হামলা চালাচ্ছে তা পরিষ্কার হয়ে গেছে। আন্দোলনকারী ও আন্দোলন প্রতিহতকারী একসঙ্গে কোনোভাবেই সহিংসতার জন্য দায়ী হতে পারে না। এসব ঘটনার জন্য আন্দোলনকারীরাই দায়ী থাকবে। যেহেতু আন্দোলন এখন আর শিক্ষার্থীদের হাতে নেই, তাই গণতন্ত্র রক্ষার্থে অন্যান্য গণতান্ত্রিক দেশগুলো যে ব্যবস্থা নেয়, সরকার সেই ব্যবস্থা নেবে।’
গতকাল সন্ধ্যায় এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন। তিনি এ হামলা ও ভাংচুরের পেছনে দায়ী হিসেবে বিএনপি ও জামায়াতের নেতাকর্মীদের প্রতি ইঙ্গিত করেন।
কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কমপ্লিট শাটডাউন কর্মসূচির মধ্যে বৃহস্পতিবার একদিনেই মারা যায় অন্তত ২৭ জন। গতকালও ৩৫ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। এরই মধ্যে গতকাল শিক্ষার্থীরা জানান, জ্বালাও-পোড়াও ও সহিংসতার দায় তারা নেবে না।










