ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা নির্বাচনে ভোট গ্রহণ শেষে বের করা আনন্দ মিছিলে সংঘর্ষ ও গোলাগুলির ঘটনা ঘটেছে। এ সময় গুলিবিদ্ধ হয়ে আয়াশ আহমেদ ইজাজ নামে এক ছাত্রলীগ কর্মী নিহত হয়েছেন। গতকাল সন্ধ্যায় পৌর এলাকার কলেজপাড়ায় চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে বের করা মিছিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

ওই চেয়ারম্যান প্রার্থীর আরেক সমর্থকের গুলিতে এজাজ নিহত হয়েছেন বলে দাবি করেছেন স্বজনরা। নিহত আয়াশ আহমেদ ইজাজ শহরের কলেজপাড়ার আমিনুল ইসলামের ছেলে। 

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভনের পক্ষে কলেজপাড়ায় দুটি নির্বাচনী ক্যাম্প বসানো হয়। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল। ভোট গ্রহণ শেষে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শাহাদাৎ হোসেন শোভনকে বিজয়ী দাবি করে এক পক্ষ আনন্দ মিছিল বের করে। পরে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সরকারি কলেজের সাবেক ভিপি জালাল হোসেন ওরফে খোকার নেতৃত্বে কয়েকটি মোটরসাইকেলে কয়েকজন মিছিলের সামনে আসে। এ সময় মোটরসাইকেল আরোহীদের একজন মিছিল লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এতে ইজাজ গুলিবিদ্ধ হন। চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পথে তিনি মারা যান।

তবে চেয়ারম্যান প্রার্থী শাহাদাৎ হোসেন শোভন বলেন, ‘নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এমন ঘটনা ঘটেনি। তাদের মধ্যে আগে থেকেই ঝামেলা ছিল। তবে তারা আমার সমর্থক ছিলেন।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ওসি মো. আসলাম হোসেন জানান, এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা যায়নি। তবে ঘটনাস্থল থেকে দেশী অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।