চলমান আন্দোলন ও কারফিউ পরিস্থিতিতে দেশের সড়কপথ কার্যত বন্ধ। অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে রেলপথ। এমন প্রেক্ষাপটে যাত্রীর চাপ বেড়েছে অভ্যন্তরীণ আকাশপথে। বাড়তি চাহিদায় বেড়ে প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে বিভিন্ন গন্তব্যের টিকিটের দাম। ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ থাকায় কেবল বিমানবন্দরগুলোয় সীমিত রয়েছে বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থাগুলোর টিকিট বিক্রি কার্যক্রম। রাষ্ট্রায়ত্ত আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বিমানবন্দর ছাড়াও বলাকা ভবন ও মতিঝিল বিক্রয় কেন্দ্র থেকে টিকিট বিক্রি করছে। চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বিমানবন্দর ও বিক্রয় কেন্দ্রগুলো থেকে কাঙ্ক্ষিত টিকিট পাচ্ছেন না অনেক যাত্রী।
স্বাভাবিক সময়ে চট্টগ্রাম থেকে ঢাকা পর্যন্ত বিমানের একটি টিকিটের দাম কম বেশি ৫ হাজার টাকা। গতকাল এই রুটের প্রতিটি টিকিট ১১-১২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। কক্সবাজার-ঢাকা রুটের প্রতিটি টিকিট বিক্রি হয়েছে ১৩-১৪ হাজার টাকায়। একইভাবে ঢাকা-সিলেট, ঢাকা-যশোর, ঢাকা-বরিশাল, ঢাকা-রাজশাহী ও ঢাকা-সৈয়দপুর রুটেও বেড়েছে বিমানের টিকিটের দাম।
চলমান পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ রুটে যাত্রীর বাড়তি চাপ ও ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক থাকলেও আন্তর্জাতিক রুটের একাধিক এয়ারলাইনসের ফ্লাইট চলাচল বিঘ্নিত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের একটি সূত্র বণিক বার্তাকে জানিয়েছেন, ১৯-২১ জুলাই পর্যন্ত তিনটি এয়ারলাইনসের ১৭টি ফ্লাইট বাতিল করা হয়েছে।










