কৃষিপণ্যের বর্তমান দাম নিয়ে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ বলেছেন, বৃষ্টির মৌসমে কৃষি পণ্যের উৎপাদন খরচ বেশি। কৃষকেরও তো পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে। আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমি প্রতিদিন বাজার করি ব্যাগ নিয়ে। মহাখালী বাজার আমার পরিচিত বাজার। আমি প্রত্যেকদিন বাজারে যাই। আমার গাড়িতে একটা ব্যাগ সবসময় থাকে।

তিনি বলেন, এ মুহূর্তে কৃষি পণ্যের যে দাম আছে, এটা বৃষ্টির সিজন। এ সিজনে বিশেষ করে ভেজিটেবলের (শাক-সবজি) উৎপাদন করা খুব সহজ কাজ না। কারণ ফেক্সিফা বলে এটাকে। পানি টাইট হয়ে গাছ মরে যায়। তারপরে উৎপাদন খরচটা একটু বেশি থাকে। যেমন আমি কাঁচামরিচের কথা বললাম শেড বানাতে হয়, এটি কস্টলি।

মন্ত্রী বলেন, কত টাকা (কৃষিপণ্য) দাম আছে, ৮০ টাকা ১০০ টাকা। এইতো? ১ কেজি করলা ফলাইতে কয় টাকা খরচ হয় একটু দেখেন না। কৃষকেরও তো পেট আছে, সংসার আছে, বাঁচতে তো হবে।

তিনি বলেন, এখানে কৃষি পণ্য তো এক্স্যাক্টলি কন্ট্রোল করা যাচ্ছে না। ওই যেটার জন্য আমরা কৃষক কার্ডে যাচ্ছি। উৎপাদন এবং চাহিদা দুইটার ক্যালকুলেশনটা আমার কাছে একুরেটলি নাই। আমি যদি জানি আমার এই জেলায়, এই উপজেলায় ভেজিটেবলের চাহিদা, ওই অনুযায়ী ওই এলাকায় ওই কৃষককে যদি উদ্বুদ্ধ করতে পারি-ভাই তুমি এটা এটা ফলাও, তোমার উপজেলায় এটা বিক্রি হবে। এর কিন্তু ক্যারিংকস্ট নাই। যে কনসেপ্টে আমরা মিনি কোল্ড স্টোরেজে যাচ্ছি।

মন্ত্রী বলেন, কৃষক যেখানে ফলাবে, তার গ্রামে এসে কাঁধে ভারে মাথায় নিয়ে কোল্ড স্টোরেজে নিয়ে রাখবে। কোনো ক্যারিংকস্ট নাই। তাহলে তার কস্টিংটা কমে যাবে। এই কনসেপ্ট নিয়ে আমরা সামনে এগিয়ে যাচ্ছি।