অন্তবর্তীকালীন সময়েও প্রকল্পসমূহের কাজ অব্যাহত রাখা হয়েছে জানিয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনোরি বলেন, যথাসময়ে বাংলাদেশ সরকারের নিকট প্রকল্পগুলো বুঝিয়ে দিতে পারবো বলে আশা করছি।

আজ রোববার (২৫ আগস্ট) শেরে বাংলা নগরে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপদেষ্টা ওয়াহিদউদ্দিন মাহমুদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে এমন আশ্বাস দেন জাপানি রাষ্ট্রদূত।

তিনি বলেন, আমি ইতোমধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এবং অর্থ উপদেষ্টার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি।

উপদেষ্টা রাষ্ট্রদূতকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, জাপান সবসময়ই বাংলাদেশের ভালো বন্ধু এবং বৃহত্তম উন্নয়ন অংশীদার। তিনি কারিগরি শিক্ষার উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান। জাপানের রাষ্ট্রদূত বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা উন্নয়নে এবং বাংলাদেশীদের জাপানে পড়াশোনার জন্য বৃত্তি প্রদান অব্যাহত রাখারও প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।

বাংলাদেশে উন্নয়ন সহযোগী হিসেবে জাপানের পথচলা শুরু হয় ১৯৭৩ সালের মার্চ। বিদেশি ঋণের অর্থছাড়ের তালিকার শীর্ষস্থান দখল করে নিয়েছে জাপান। সদ্য বিদায়ী ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ১১ মাসে (জুলাই-মে) ১৭৬ কোটি ১৮ লাখ ডলার ছাড় দিয়েছে দেশটি। এখন লোনের প্রজেক্ট চলছে ২৮টি। আর শুধু জাপানি অর্থায়নে ১২টি। টেকনিক্যাল কোঅপারেশনের প্রজেক্ট ৩৬টি।