যশোরের বাঘারপাড়ায় রিক্তা খানম (৬) নামে এক শিশুকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে। গতকাল দুপুরে উপজেলার ঠাকুরকাঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগ পেয়ে দুপুরেই ধর্ষণে অভিযুক্ত নাজমুল হককে (৩৫) আটক করেছে পুলিশ। আটক নাজমুল উপজেলার দোহাকুলা ইউনিয়নের ঠাকুরকাঠি গ্রামের নওশের আলীর ছেলে। ধর্ষণের শিকার নিহত রিক্তা খানম একই গ্রামের মুক্তার হোসেনের মেয়ে। শিশুটি ইসলামিক ফাউন্ডেশন পরিচালিত মক্তবভিত্তিক শিশু শ্রেণীর ছাত্রী ছিল।
প্রতিবেশী আক্তার আলী জানান, নিহত শিশুর পরিবার ও নাজমুল একই স্থানে বসবাস করে আসছে। গতকাল সকাল থেকে মেয়েটিকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। অনেক খোঁজাখুঁজির পর নাজমুলকে সন্দেহ হয় ওই শিশুর স্বজনদের। এ সময় দেখা যায় নাজমুল তার বাড়ির পাশে গর্ত খুঁড়ছেন। তাকে গর্ত খোঁড়ার কারণ জিজ্ঞাসা করলে তার চেহারায় অপরাধের চিহ্ন ভেসে ওঠে। সঙ্গে সঙ্গে সেখান থেকে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন নাজমুল। এ সময় তার ঘরের খাটের নিচে বস্তার মধ্যে নিহত শিশুর মরদেহ পাওয়া যায়। খবর পেয়ে গ্রামবাসীর সহযোগিতায় নাজমুলকে আটক করে পুলিশ। অনেকের ধারণা সকালের কোনো এক সময় শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়েছে।
বাঘারপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ফিরোজ উদ্দীন জানান, খবর পেয়েই অভিযুক্তকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ঘটনার দায় স্বীকার করেছেন। পারিবারিক কলহের জের ধরে শিশুটিকে ধর্ষণ শেষে হত্যা করা হয়। মরদেহ গুমের জন্য আসামি তার নিজ ঘরের খাটের নিচেই লুকিয়ে রাখে। মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।










