আসন্ন তৃতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্ণিমাগাতী ইউনিয়নের স্বতন্ত্র প্রার্থী আল আমিন সরকারের নির্বাচনী প্রচার ক্যাম্পে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে। এ সময় মারধর করে আহত হরা হয়েছে তার কর্মীদের। গতকাল দুপুর ১২টার দিকে ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের পুকুরপাড়ে অবস্থিত অস্থায়ী নির্বাচনী ক্যাম্পে এ হামলার ঘটনা ঘটে। আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থীর বিরুদ্ধে এ হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ করেছেন আল আমিন সরকার।

এ ঘটনায় আহতরা হলেন ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম রসুল, স্থানীয় শহীদুল ইসলাম সাবানের স্ত্রী লতা খাতুনসহ তিনজন। তাদের মধ্যে গুরুতর আহত দুজনকে সিরাজগঞ্জ ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

স্থানীয়রা অভিযোগ করে জানায়, নৌকার সমর্থনে একটি মিছিল থেকে আক্রমণ চালিয়ে ভাংচুর করা হয় নির্বাচনী অফিসের অন্তত ৩০-৩৫টি চেয়ার। ছিঁড়ে ফেলা হয় ক্যাম্প ঘেরাওয়ের জন্য ব্যবহূত কাপড়।

এ বিষয়ে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী আল আমিন সরকার অভিযোগ করে বলেন, আমার প্রতীক মোটরসাইকেলের পক্ষে গণজোয়ার দেখে নৌকার প্রার্থী রেজাউল ইসলাম তপন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি রাশেদুল হাসান রাশেদের নেতৃত্বে এ হামলা চালানো হয়েছে। তারা সাধারণ ভোটারদের মারধর ও হুমকি-ধমকি দিয়ে ভীতি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। আমি সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি উল্লাপাড়া মডেল থানা পুলিশকে জানিয়েছি।

পূর্ণিমাগাতী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি এসএম রাশেদুল হাসান রাশেদ এসব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, তারাই বরং আমাদের কর্মীদের মারধর করেছে। খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়ে দেখি পুলিশ দাঁড়িয়ে আছে। তারা আমাদের ফিরিয়ে দিলে আমরা চলে আসি। এসব অভিযোগ মিথ্যা ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

উল্লাপাড়া মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এনামুল হক বলেন, এমন একটি ঘটনার খবর পেয়েছি। অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।