ঝালকাঠি বাসমালিক সমিতি ও শ্রমিক ইউনিয়নের অনির্দিষ্টকালের ধর্মঘট অব্যাহত আছে। গতকাল দ্বিতীয় দিনের মতো এ ধর্মঘট পালন করেন বাসমালিক ও শ্রমিকরা। এদিন মহাসড়কে মাহিন্দ্রাসহ অবৈধ যানবাহন চলাচল নিষিদ্ধের দাবি জানান ধর্মঘট পালনকারীরা।
এদিকে ধর্মঘটের কারণে ঝালকাঠি থেকে আট রুটের বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে ভোগান্তি পোহাচ্ছে হাজারো মানুষ। ঝালকাঠি-বরিশাল, ঝালকাঠি-ভাণ্ডারিয়া, বরিশাল-খুলনা, বরিশাল-পিরোজপুর, বরিশাল-মঠবাড়িয়া, বরিশাল-পাথরঘাটা, ঝালকাঠি-রাজাপুর ও ঝালকাঠি-কাঁঠালিয়া রুটে বাস বন্ধ থাকায় ব্যাহত হচ্ছে ব্যবসা-বাণিজ্য, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কার্যক্রম।
গতকাল সকালে জেলার বিভিন্ন বাসস্ট্যান্ড ঘুরে দেখা গেছে, বাস না পেয়ে বিকল্প যানবাহনের জন্য ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষায় আছেন অনেকে। কেউ আবার সময়মতো গন্তব্যে যেতে না পেরে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। অন্যদিকে বাস চলাচল বন্ধ থাকার সুযোগ নিচ্ছেন অন্য যানবাহনের চালকরা। যাত্রীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত ভাড়া দাবি করছেন তারা।
ঝালকাঠি বাসমালিক সমিতির যুগ্ম সম্পাদক নাসির উদ্দিন আহমেদ জানান, সোমবার রাত ১২টার দিকে বরিশাল রূপাতলী বাসটার্মিনালে থাকা ঝালকাঠি মালিক সমিতির কয়েকটি বাসের যন্ত্রাংশ চুরি করে নেয় মাহিন্দ্রার মালিক ও চালকরা। প্রতিবাদ করলে শ্রমিকদের মারধর ও জীবননাশের হুমকি দেয়া হয়। এ ঘটনার বিচার ও মহাসড়কে অবৈধ মাহিন্দ্রা চলাচল নিষিদ্ধের দাবিতে মঙ্গলবার বেলা ১১টা থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য ঝালকাঠির সঙ্গে আট রুটের বাস চলাচল বন্ধ ঘোষণা করা হয়।









