‘ভাইস চ্যান্সেলরস ডায়ালগ: শেপিং দ্য ফিউচার অব হায়ার এডুকেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান।

গতকাল সাভারে ব্র্যাক সিডিএম সেন্টারে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি) এ সংলাপের আয়োজন করে।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার প্রকৃত উন্নয়নে গবেষণার কোনো বিকল্প নেই। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার গবেষণার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এরই মধ্যে শিক্ষা বাজেটে মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ২ শতাংশ বরাদ্দ করা হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে তা ৫ শতাংশে উন্নীত করার সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা রয়েছে। এর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর দীর্ঘদিনের গবেষণা বাজেট সংকট দূর হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি গবেষণানির্ভর বিশ্ববিদ্যালয় গড়ে তুলতে না পারি, তবে শিক্ষার প্রকৃত অগ্রগতি সম্ভব নয়। তাই উচ্চ শিক্ষার মান রক্ষায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও যেন আরো বেশি গবেষণার সুযোগ সৃষ্টি হয়, সেদিকে মঞ্জুরী কমিশনকে নজর রাখতে হবে।’ পাশাপাশি যেসব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার মান সন্তোষজনক নয়, সেগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার তাগিদ দেন তিনি।

মেধা পাচার রোধে ‘রিভার্স ব্রেন ড্রেইন’-এর গুরুত্ব তুলে ধরে এহছানুল হক মিলন বলেন, ‘এ দেশের অনেক শিক্ষক-শিক্ষার্থী বিদেশে গিয়ে গবেষণা ও শিক্ষা ক্ষেত্রে অসাধারণ মেধার স্বাক্ষর রাখছেন। সেই ধারণকৃত মেধা ও অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগাতে তাদের দেশে ফিরিয়ে আনার কার্যকর পরিবেশ তৈরি করতে হবে।’

ইউজিসির চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক জেডএন তাহমিদা বেগম।

‘উচ্চ শিক্ষা রূপান্তরে দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’ শীর্ষক প্রতিপাদ্য নিয়ে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী এ সংলাপে দেশের সরকারি ও বেসরকারি প্রায় ৬০টি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অংশ নেন।