ময়মনসিংহের তারাকান্দা উপজেলায় বাসচাপায় সিএনজিচালিত অটোরিকশার সাত যাত্রী নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন আরো দুজন।
আজ রবিবার দুপুর ১টার দিকে তারাকান্দা উপজেলার গাছতলা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। নিহতদের মধ্যে তিনজন পুরুষ, তিনজন নারী ও একটি নবজাতক শিশু রয়েছে। এ ঘটনায় একঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
নিহতের স্বজনরা জানান, নিহতরা হচ্ছেন তিন দিন বয়সী একটি শিশু, তার মা মাসুমা আক্তার (৩০), স্বামী মাওলানা ফারুক হোসেন (৪০), ফারুকের ভাই নিজাম উদ্দিন (৩৮) এবং ফারুকের ভাবী জোসনা আক্তার (৩৫) এবং সিএনজি চালক রাকিবুল ইসলাম (২৫)। সিএনজি চালকের বাড়ি ময়মনসিংহ সদরের লক্ষ্মীপুর গ্রামে, অন্যদের বাড়ি নেত্রকোনার পূর্বধলা থানায়।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর ১টার দিকে নেত্রকোনা থেকে ঢাকাগামী শাহজালাল পরিবহনের একটি বাস বিপরীত দিক থেকে আসা একটি অটোরিকশাকে চাপা দেয়। এতে সিএনজি অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে যায় এবং ঘটনাস্থলেই মারা যান ছয় যাত্রী। হাসপাতালে নেয়ার পর শিশুটিরও মৃত্যু হয়।
গুরুতর আহত দুজনকে ফায়ার সার্ভিসের সহযোগিতায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী একজন আবুল হোসেন জানান, বাসটি অনেক দ্রুত চলছিল। নিয়ন্ত্রণ করতে না পেরে সিএনজিকে চাপা দেয় বাসটি।
তারাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল খায়ের জানান, নেত্রকোনাগামী একটি সিএনজি অটোরিকশা ময়মনসিংহ-নেত্রকোণা সড়কের গাছতলা এলাকায় পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা বাসের সাথে সিএনজি অটোরিকশাটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলেই সিএনজি অটোরিকশার ছয়যাত্রী নিহত হয়। এসময় গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে আরো একজন মারা যান বলেও জানান তিনি।
তারাকান্দা থানার ওসি আবুল খায়ের আরো জানান, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে নিহতদের উদ্ধার করা হয়। ঘাতক বাসটি আটক করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।










