তরুণ উদ্যোক্তা ও সামাজিক উদ্ভাবকরা বাংলাদেশের জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব ও জেন্ডার বৈষম্য প্রতিরোধে ২৪টি প্রোটোটাইপ তৈরি করেছেন। ছয় মাস ধরে ১৫-২৪ বছর বয়সী শতাধিক তরুণের সমন্বয়ে গঠিত ২৪টি দল স্থানীয় প্রশিক্ষকদের নির্দেশনা অনুযায়ী তাদের প্রজেক্টের প্রাথমিক প্রোটোটাইপগুলো তৈরি করেছেন। ইভেন্টে অংশগ্রহণকারী দলগুলো তাদের উদ্ভাবনী প্রজেক্টগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সমস্যার সমাধান করেছে। অংশগ্রহণকারী বেশ কয়েকটি দল পরিবেশগত টেকসইতা, নবায়নযোগ্য শক্তি এবং উদ্ভাবনী কৃষি সমাধানের ওপর কাজ করেছেন। 

গতকাল বিকালে রাজধানীর একটি কনভেনশন সেন্টারে জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্ট ও ইউনিসেফের সহযোগিতায় জেনারেশন আনলিমিটেড প্রোগ্রাম যৌথভাবে আয়োজন করে ‘ইমাজেন ভেঞ্চারস ইয়ুথ চ্যালেঞ্জ কমিউনিটি সলিউশন পিচ ডে ২০২৩-২০২৪’। সারা দেশ থেকে অংশ নেয়া ২৪টি দলের মধ্যে বিজয়ী হয় খুলনার সেলাইনিটি সেভ্যান্টস ও সিলেটের নৈবেদ্য দল। 

শীর্ষ দুটি দল এখন বৈশ্বিক পর্যায়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নেবে। যেখানে তারা গ্লোবাল জেনইউ ইমাজেন ভেঞ্চারস ইয়ুথ চ্যালেঞ্জে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবে। বিজয়ীরা তাদের উদ্ভাবনী সমাধান বাস্তবায়নের জন্য ফান্ডিংসহ সামগ্রিক সহায়তা পাবেন।

বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি শেলডন ইয়েট বলেন, ‘তরুণরাই হচ্ছে পরিবর্তনের কারিগর যারা একটি সবুজ ও আরো টেকসই বাংলাদেশ তৈরি করছে। তাদের নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এরই মধ্যে তাদের সম্প্রদায় এবং এর বাইরেও ইতিবাচক রূপান্তরে কাজ করছে। আজ এতগুলো উদ্ভাবনী আইডিয়া উপস্থাপিত হতে দেখে আমি আনন্দিত। সফলভাবে বাস্তবায়ন হওয়ার অপেক্ষায় আছি যাতে একটি সমৃদ্ধিশালী ভবিষ্যৎ নিশ্চিত হয়।’

জাগো ফাউন্ডেশন ট্রাস্টের চেয়ারম্যান করবি রাখসান্দ বলেন, ‘জেনইউ ইমাজেন ভেঞ্চারস ইয়ুথ চ্যালেঞ্জে তরুণ উদ্ভাবকদের সৃজনশীলতা এবং দৃঢ় সংকল্প দেখে আমরা অত্যন্ত গর্বিত। জলবায়ু পরিবর্তন এবং জেন্ডার অসমতার মতো কঠিন সমস্যাগুলো উদ্ভাবনী সমাধানের মাধ্যমে মোকাবেলা করায় তাদের অঙ্গীকার সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক।’