মাদারীপুরের কালকিনিতে রাস্তা নির্মাণকাজে নিম্নমানের ইট ও খোয়া ব্যবহারের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা। যদিও ঠিকাদারের প্রতিনিধিরা বলছেন, রাস্তাটিতে নিম্নমানের ইট ও খোয়া ব্যবহার করলে পাথরের কার্পেটিং ভালো হবে। তবে এ বিষয়ে পৌর মেয়র ঠিকাদারের পক্ষ নিয়ে দাবি করেন, এলাকাবাসীর অভিযোগ সঠিক নয়। ঠিকাদার ভালোভাবে কাজ করছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ‘লোকাল গভর্নমেন্ট কভিড-১৯ রেসপন্স অ্যান্ড রিকভারি’ প্রকল্পের আওতায় কালকিনি-ভুরঘাটা বিসি রোড থেকে আলমগীর উকিলের বাড়ি পর্যন্ত ৯০০ মিটার রাস্তা নির্মাণকাজ বাস্তবায়নে কালকিনি পৌরসভার সঙ্গে মেসার্স এসএস এন্টারপ্রাইজের চুক্তি হয়। এতে ব্যয় ধরা হয় ৩৪ লাখ ৭ হাজার ৯০৫ টাকা। চুক্তি অনুসারে চলতি বছরের ৬ জুলাই ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান রাস্তাটি নির্মাণকাজ শুরু করে যা শেষ হওয়ার কথা ২০২৪ সালের ৫ জুন।
স্থানীয় বাসিন্দা আবুল বাসার বলেন, ‘রাস্তাটি অনেক বছর ধরেই ভাঙাচোরা ছিল। কিন্তু এখন পৌরসভা থেকে রাস্তাটি নতুন করে নির্মাণ করা হলেও নিম্নমানের ইট ও খোয়া দিয়ে বানানো হচ্ছে। ইটের খোয়া এতই নিম্নমানের, তা হাত দিয়ে চাপ দিলেই ভেঙে যায়।’
একই এলাকার আরেক বাসিন্দা মোহাম্মদ ফারুক হোসেন দাবি করেন, ঠিকাদার পৌর মেয়রের ঘনিষ্ঠ লোক। তাই তিনি রাস্তাটি টেকসই মেরামতের জন্য কোনো পদক্ষেপ নেনি। বিদেশী টাকা লুটপাট করে খাওয়ার একটা পাঁয়তারা ছাড়া আর কিছুই না। এ রাস্তা বেশিদিন টিকবে না।’
ঠিকাদারের প্রতিনিধি মো. সাইফুদ্দিন বলেন, ‘আমরা রাস্তার কাজে নিম্নমানের ইট ও খোয়া ব্যবহার করিনি। রাস্তা যাতে ভালো মানের হয় সেভাবেই কাজ করেছি।’
তবে পৌরসভার মেয়র এসএম হানিফ ঠিকাদারকে প্রশ্রয় দেয়ার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘এলাকাবাসী সড়কে নিম্নমানের ইট ও খোয়ার যে অভিযোগ তুলেছে তা সঠিক নয়। ঠিকাদার ভালোভাবেই কাজ করছেন।’










