স্পিকারের প্রতি অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনার প্রতি নিবেদন থাকবে, কোনো ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যাতে বক্তব্য দিয়ে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে। আমরা ফ্যাসিস্ট ও ফ্যাসিবাদের দোসরমুক্ত জাতীয় সংসদ চাই।’
গতকাল সংসদে নাহিদ ইসলাম এসব কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ভাষণ দেয়ার বিষয়কে সামনে রেখেই এ বক্তব্য দিয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। মো. সাহাবুদ্দিন ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের মনোনয়নে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। তার বক্তব্যের প্রতি ইঙ্গিত করে নাহিদ ইসলাম এমন বক্তব্য দিতে পারেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের স্পিকার নির্বাচিত হয়েছেন মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।
এরপর সরকারি ও বিরোধী দলের সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। নাহিদ ইসলাম তার বক্তব্যে জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহতদের স্মরণ করেন। তিনি স্মরণ করেন একান্ন, ঊনসত্তর, একাত্তরের সব শহীদদের। বক্তৃতার এক পর্যায়ে তিনি বলেন, ‘যেন ফ্যাসিস্ট বা তার দোসর যাতে সংসদকে কলুষিত করতে না পারে।’
জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ শুরু হলে প্রতিবাদ জানিয়ে ওয়াক আউট করে সংসদের বাইরে সাংবাদিকদের নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘গণ-অভ্যুত্থানে পতিত ফ্যাসিস্ট সরকারের কোনো দোসর জাতীয় সংসদে বক্তব্য দিতে পারবে না।’










