ষষ্ঠ থেকে স্নাতক ও সমমান পর্যায়ে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ২০২৬ সালের মে-জুন প্রান্তিকের জন্য গতকাল থেকে এ আবেদন করতে পারবেন। আবেদন চলবে ৩০ জুন পর্যন্ত। গতকাল প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্টের উপবৃত্তি শাখার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের আগামী ৩০ জুন রাত ১১টা ৫৯ মিনিটের মধ্যে ‘ই-চিকিৎসা অনুদান ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম’-এর নির্ধারিত লিংকে (https://www.eservice.pmeat.gov.bd/medical) প্রবেশ করে অনলাইনে আবেদন সম্পন্ন করতে হবে। আবেদনের শর্তাবলির বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত মেধাবী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে আগের শ্রেণীতে ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর অথবা এসএসসি ও এইচএসসিতে জিপিএ ৫.০০-এর ক্ষেত্রে ৩.৫০ এবং স্নাতক পর্যায়ে জিপিএ ৪.০০-এর ক্ষেত্রে ৩.০০ থাকতে হবে। এতে বলা হয়, সরকারি, আধাসরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ১৩ থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের সন্তান এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে যাদের অভিভাবকের বার্ষিক আয় ২ লাখ টাকার কম, তারা এ অনুদানের জন্য যোগ্য বিবেচিত হবেন। একই সঙ্গে আবেদনের সঙ্গে সিভিল সার্জন বা সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসক কর্তৃক প্রদত্ত ‘গুরুতর আহত’ মর্মে চিকিৎসা সনদের কপি আপলোড করতে হবে। আবেদনের সময়সীমা দুর্ঘটনা ঘটার সর্বোচ্চ এক বছরের মধ্যে হতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে আরো বলা হয়েছে, অনুদানের অর্থ অনলাইনে সরাসরি শিক্ষার্থী বা অভিভাবকের ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। তাই আবেদনের সময় সচল ব্যাংক হিসাব ও সঠিক মোবাইল নম্বর প্রদান নিশ্চিত করতে হবে। অনলাইনভিত্তিক এ কার্যক্রমের জন্য কোনো হার্ড কপি ট্রাস্টে পাঠানোর প্রয়োজন নেই। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, যদি কোনো শিক্ষার্থী অনলাইনে আবেদনের সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নির্বাচন করুন অপশন খুঁজে না পায়, তবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান প্রধানকে প্রয়োজনীয় তথ্যসহ ট্রাস্ট বরাবর আবেদন করে ডেটাবেজে অন্তর্ভুক্ত হতে হবে। উল্লেখ্য, ‘দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন আর্থিক অনুদান প্রদান নির্দেশিকা’ অনুসরণ করে এ সহায়তা দেয়া হচ্ছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
দুর্ঘটনায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসা সহায়তা দেবে সরকার, আবেদন শুরু
দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের এককালীন চিকিৎসায় আর্থিক অনুদান চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট থেকে আবেদন চাওয়া হয়েছে।










