মার্কিন নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে জ্বালানি বাজারে ফের শক্তিশালী হয়ে উঠতে ইরানের সঙ্গে গত বছর সম্পর্ক জোরদার করেছে ভেনিজুয়েলা। ওই বছর রফতানি বাড়াতে নানা পদক্ষেপ হাতে নিয়েছিল তেলসমৃদ্ধ দেশটি। কিন্তু অপ্রতুল অবকাঠামো, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার প্রতিবন্ধকতা ও প্রধান বাজার এশিয়ায় ক্রমবর্ধমান প্রতিযোগিতা এসব পদক্ষেপকে অনেকটাই ব্যর্থ করেছে। জাহাজের তথ্য সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান ও সরকারি তথ্যমতে, বিদায়ী বছর দেশটির অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি লক্ষণীয় মাত্রায় কমেছে। খবর রয়টার্স।
জ্বালানি তেলের বাজারে ধারাবাহিক অস্থিরতায় লাগাম টেনে ধরতে গত বছর ভেনিজুয়েলার ওপর নিষেধাজ্ঞা কিছুটা শিথিল করে যুক্তরাষ্ট্র। ফলে রফতানি বাড়বে বলে প্রত্যাশা তৈরি হয়েছিল।
এদিকে গত বছর ইরান লাতিন আমেরিকার দেশটিতে জ্বালানি তেলের সরবরাহ বাড়ায়। পরিশোধন কেন্দ্রগুলো মেরামতের জন্য প্রযুক্তিবিদও পাঠানো হয়। ভেনিজুয়েলা যাতে রফতানি বাড়াতে পারে, সে লক্ষ্যেই এসব সহায়তা দেয়া হয়। কিন্তু বছরজুড়ে দেশটির বন্দর, তেলক্ষেত্র ও পরিশোধন কেন্দ্রগুলোর সক্ষমতাসহ সার্বিক অবস্থা ছিল খুবই খারাপ। তাছাড়া চীনে রফতানির ক্ষেত্রে রাশিয়ার সঙ্গে প্রতিযোগিতাও ছিল তীব্র।
রয়টার্সের হিসাব অনুযায়ী, ভেনিজুয়েলার রাষ্ট্রমালিকানাধীন কোম্পানি ও এটির জয়েন্ট ভেঞ্চার ২০২২ সালে সব মিলিয়ে দৈনিক ৬ লাখ ১৬ হাজার ৫৪০ ব্যারেল অপরিশোধিত জ্বালানি তেল রফতানি করেছে। ২০২১ সালের তুলনায় রফতানি ২ দশমিক ৮ শতাংশ কমেছে। এছাড়া ২০২০ সালের চেয়ে রফতানির পরিমাণ ছিল কম।










