চুক্তির অধীনে সিমেন্স ভারতে ১ হাজার ২০০ বৈদ্যুতিক লোকোমোটিভ সরবরাহ করবে এবং ৩৫ বছর এর সার্ভিসিং পরিষেবা দেবে। এ চুক্তি ভারতের জন্যও অনেক বড়। ১১ বছরের মধ্যে সিমেন্সের ডিজাইন করা নয় হাজার হর্সপাওয়ারের ট্রেন অ্যাসেম্বল বা জোড়া দেয়া হবে। এর গতি ঘণ্টায় ৭৫ মাইল বা ১২০ কিলোমিটার। অ্যাসেম্বলের পাশাপাশি ২৪ মাসের মধ্যে সেগুলোর সরবরাহও শুরু হবে।
সিমেন্স মবিলিটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মিশেল পিটার বলেন, নতুন লোকোমোটিভগুলো তাদের জীবনচক্রে পাঁচ-আট লাখ বার রেল বগি স্থানান্তর করতে পারব। লোকোমোটিভ হচ্ছে এক ধরনের বাহন, যেটি ব্যবহার করে পুরো ট্রেন বা বগি এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় স্থানান্তর করা হয়।
বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে পিটার বলেন, এ চুক্তি ভারতে সিমেন্সের অগ্রযাত্রায় অন্যতম বড় পদক্ষেপ। প্রতিষ্ঠানটি এর আগে এশিয়ার দেশটিতে বিভিন্ন যন্ত্রাংশ ও অবকাঠামো উন্নয়ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছে। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ভারত বর্তমানে তাদের ট্রেন যোগাযোগের উন্নয়নে প্রযুক্তির ব্যবহার, বেশি কার্যক্ষমতা ও আয়ুষ্কালের সন্ধান করছে। অতীতে দেশটি নিজেদের ট্রেন তৈরি করলেও বর্তমানে বিশ্বাসযোগ্যতা ও গড় গতি বাড়ানোতেই আগ্রহী। ২০২২ সালের ডিসেম্বরে অস্ট্রেলিয়ার সিডনিতে ৯০ কোটি ইউরো ব্যয়ে নতুন মেট্রোরেল লাইন স্থাপনের চুক্তি করেছে সিমেন্স। এর পরই ভারতের সঙ্গে নতুন বাম্পার চুক্তি করল প্রতিষ্ঠানটি।
এক বিবৃতিতে সিমেন্স জানায়, দিল্লি সরকার বর্তমানে মালবাহী ট্রেনের ব্যবহার ২৭ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০-৪৫ শতাংশে উন্নীত করতে চায়। ১৮৬৭ সালে লন্ডন থেকে কলকাতায় প্রথম টেলিগ্রাফ লাইন চালু করে সিমেন্স।










