জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে অ্যাম্বিয়েন্তে ২০২৪ প্রদর্শনী চলছে। শুক্রবার (২৬ জানুয়ারি) শুরু হওয়া এ প্রদর্শনীতে জার্মানি, ভারত, চীন এবং ইতালির মতো বড় দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠানগুলোও গর্বের সঙ্গে তাদের উদ্ভাবনী পণ্যের প্রদর্শন করছে। যা ৮৩টি দেশের ৩ হাজার ৯০০টিরও বেশি প্রদর্শকের সঙ্গে উদ্ভাবন ও সৃজনশীলতার বৈচিত্র্যময় প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছে।

ক্রেতা এবং দর্শনার্থীরা ডাইনিং, লিভিং, গিভিং, কাজ এবং উৎসব সজ্জাকে নিয়ে কাজ করে এরকম নতুন পণ্য নিয়ে যেমন আগ্রহ প্রকাশ করেছেন, তেমনি পণ্যের স্থায়িত্ব, পুনর্ব্যবহার এবং সমসাময়িক নকশার ওপর মনোযোগ কেন্দ্রীভূত করে এমন পণ্য এবং পরিষেবা সংগ্রহে তাদের আগ্রহ দেখা গেছে।

মেলায় বর্তমানে ৫৮জন বাংলাদেশী প্রদর্শক দেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন। হল ১২.০ (ডাইনিং) এ প্যারাগন সিরামিকস, আর্টিসান সিরামিকস এবং প্রতীক সিরামিকসের মতো ইন্ডাস্ট্রির নেতাদের পণ্যগুলো প্রদর্শন করার জন্য নির্ধারিত রয়েছে। এছাড়াও বিডি ক্রিয়েশন, প্রকৃতি, ঢাকা হ্যান্ডিক্রাফ্টস, আরএফএল প্লাস্টিক এবং গোল্ডেন জুটসহ অন্যান্য উল্লেখযোগ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রদর্শনী হল ১০.১, ১০.৪, ১১.০ এবং ১১.১ (গিভিং অ্যান্ড লিভিং) এ প্রদর্শিত হবে। এ প্রদর্শনী আগামী মঙ্গলবার (৩০ জানুয়ারি) শেষ হবে।

‘রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো’ তাদের জন্য ভর্তুকির মাধ্যমে স্টলের ব্যবস্থা করে হস্তশিল্প, অলংকারিক পণ্য এবং রান্নাঘরের আনুষঙ্গিক প্রয়োজনীয় দ্রব্য রফতানি বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। এ উদ্যোগটি এসকে হ্যান্ডিক্রাফটস, সৈয়দপুর এন্টারপ্রাইজ এবং ক্রাফট অ্যান্ড ডিজাইনসহ ছোট ও মাঝারি রফতানিকারকদের বিশ্বের বৃহত্তম ভোগ্যপণ্যের প্রদর্শনীতে তাদের পণ্য প্রদর্শনের সুযোগ করে দিয়েছে, যার ফলে তাদের রফতানির সুযোগ বৃদ্ধি পেয়েছে।

অ্যাম্বিয়েন্তেতে পাট ও হস্তশিল্প উৎপাদনে দক্ষতার জন্য সুপরিচিত বাংলাদেশ তার অনন্য সৃষ্টি প্রদর্শন করছে।

প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী কারুপণ্য রংপুরের পরিচালক শফিউল আলম সেলিম জানান, প্রথম ও দ্বিতীয় দিনের সাফল্য নিয়ে আমরা খুব আনন্দিত। এবারের প্রদর্শনী আমাদের জন্য খুব ফলপ্রসূ হবে বলে আশা করছি। পল্লি ক্রাফট লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর শাহনাজ পারভীন বলেন, প্রদর্শনী খুব ভালো চলছে, বিভিন্ন দেশ থেকে আমরা অনেক পণ্য সম্পর্কে আগ্রহ পাচ্ছি, আশা করছি প্রদর্শনী সামনে আরো ভালো হবে।