বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম পাম অয়েল উৎপাদনকারী ও রফতানিকারক দেশ মালয়েশিয়া থেকে রফতানি কমায় পণ্যটির বাড়তি মজুদের চাপে পড়েছে দেশটি। চলতি বছরের প্রথম মাসে (জানুয়ারি) দেশটিতে পাম অয়েলের মজুদ বেড়ে চার মাসের মধ্যে সর্বোচ্চে পৌঁছেছে। খবর রয়টার্স।
গত শুক্রবার প্রকাশিত এক জরিপে বলা হয়, মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন পাঁচ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন থাকার পরও রফতানি কমায় পণ্যটির বাড়তি মজুদের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। চলতি মাসেও রফতানি কমার জেরে দেশটিতে পণ্যটির বাড়তি মজুদের প্রবণতা বজায় থাকবে।
গত জানুয়ারিতে মালয়েশিয়ায় পাম অয়েলের মজুদ বেড়ে ১২ লাখ ৯০ হাজার টনে পৌঁছেছে, যা গত বছরের শেষ মাসের তুলনায় ১ দশমিক ৭৫ শতাংশ বেশি।
মালয়েশিয়ায় পাম অয়েল উৎপাদন কমার প্রধান কারণ হলো দেশটির কিছু অংশে বন্যা ও তীব্র শ্রমিক সংকট। চলতি মাসে দেশটিতে পাম অয়েল উৎপাদন ১৩ শতাংশ কমে ১১ লাখ ৬০ হাজার টনে দাঁড়ানোর পূর্বাভাস দেয়া হয়েছে, যা ২০১৬ সালের ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।
উৎপাদন কমার সঙ্গে তাল মিলিয়ে মালয়েশিয়া থেকে পাম অয়েল রফতানিও কমেছে। গত জানুয়ারিতে দেশটি থেকে সব মিলিয়ে ১০ লাখ ৬০ হাজার টন পাম অয়েল রফতানি হয়েছে, যা গত বছরের ডিসেম্বরের তুলনায় ৩৫ শতাংশ কম। এছাড়া ২০১৫ সালের ফেব্রুয়ারির পর দেশটি থেকে পাম অয়েল রফতানির সর্বনিম্ন চিত্র এটি। বৃহৎ ক্রেতা ভারত ও চীনের বাজারে শ্লথগতির কারণে মালয়েশিয়া থেকে রফতানি কমেছে।










