একই সঙ্গে তিনি ম্যানেজমেন্ট কমিটিতেও যুক্ত হয়েছেন। ইউনিলিভার বাংলাদেশের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল এ তথ্য জানানো হয়।

নতুন দায়িত্বে আবদুল্লাহ যোবায়ের বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠানটির আইনবিষয়ক কার্যক্রমে নেতৃত্বের। পাশাপাশি ব্যবসা, করপোরেট সুশাসন ও নিয়ন্ত্রক বিষয়ক গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে কৌশলগত আইনি পরামর্শ দেবেন।

আবদুল্লাহ যোবায়ের ২০২১ সালের আগস্টে সিনিয়র লিগ্যাল কাউন্সেল হিসেবে ইউনিলিভার বাংলাদেশে যোগ দেন। বর্তমান দায়িত্ব গ্রহণের আগে তিনি এ পদে কর্মরত ছিলেন। এফএমসিজি ও টেলিযোগাযোগ খাত এবং স্বাধীন আইন পেশায় তার রয়েছে ১৬ বছরের বেশি অভিজ্ঞতা। তিনি লিংকনস ইন থেকে ব্যারিস্টার অ্যাট ল ডিগ্রি অর্জন করেন এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের একজন আইনজীবী।

ইউনিলিভার বাংলাদেশে কর্মরত অবস্থায় আবদুল্লাহ যোবায়ের গুরুত্বপূর্ণ মামলা, সালিশ ও বিরোধ নিষ্পত্তির কার্যক্রমে নেতৃত্ব দিয়েছেন। একই সঙ্গে জটিল নিয়ন্ত্রক পরিবেশে কোম্পানির কার্যক্রম পরিচালনায় সহায়তা করেছেন। পণ্য ব্যবহারের পর সৃষ্ট বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের দায়বদ্ধতা (ইপিআর), পণ্যের মানদণ্ড ও শ্রম আইন পরিপালনসহ বিভিন্ন বিষয়ে নিয়ন্ত্রক নীতিবিষয়ক অ্যাডভোকেসি এবং শিল্প খাতের অংশীজনদের সঙ্গে সম্পৃক্ততায়ও তিনি অবদান রেখেছেন।

এছাড়া আইনবিষয়ক কার্যক্রমে ডিজিটালাইজেশন ও প্রক্রিয়া সহজীকরণের উদ্যোগ এগিয়ে নিতে আবদুল্লাহ যোবায়ের ভূমিকা রেখেছেন, যা উৎপাদনশীলতা ও সেবা প্রদানের মান উন্নত করেছে। তিনি ভারপ্রাপ্ত কোম্পানি সচিব হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন এবং কোম্পানির করপোরেট সুশাসন ও বিধিবদ্ধ দায়িত্ব পালনে সহায়তা করেছেন।

ইউনিলিভার বাংলাদেশের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক রুহুল কুদ্দুস খান বলেন, ‘আইন বিষয়ে আবদুল্লাহ যোবায়েরের বিস্তৃত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার পাশাপাশি ইউনিলিভারের ব্যবসা ও কার্যপরিবেশ সম্পর্কে তার সুস্পষ্ট ধারণা রয়েছে। আইন ও বিধিবিধানসংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়ার পাশাপাশি কোম্পানির সার্বিক কার্যক্রমে সুশাসন জোরদারেও তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।’