নির্ধারিত সময়ে লভ্যাংশ বিতরণ না করায় তালিকাভুক্ত এএমসিএলকে (প্রাণ) ৩ ফেব্রুয়ারি ‘‌এ’ থেকে ‘‌জেড’ ক্যাটাগরিতে অবনমিত করা হয়। একই দিনে কোম্পানিটি সংশোধিত লভ্যাংশ বিতরণের প্রতিবেদন ও প্রয়োজনীয় নথিপত্র জমা দেয়। ফলে কোম্পানিটির ক্যাটাগরি অপরিবর্তিত রাখা হয়। পুনরায় ‘‌এ’ ক্যাটাগরিতেই লেনদেন করছে কোম্পানিটি। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে গতকাল এ তথ্য জানা গেছে।

সর্বশেষ সমাপ্ত ২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৫ টাকা ১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯২ টাকা ৮৮ পয়সায়।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, চলতি ২০২৫-২৬ হিসাব বছরের প্রথমার্ধে (জুলাই-ডিসেম্বর) এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৩ টাকা ৪১ পয়সা, আগের হিসাব বছরের একই সময়ে যা ছিল ৩ টাকা ৫৪ পয়সা। ৩১ ডিসেম্বর ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯৩ টাকা ১৭ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৫১ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৫১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৯০ টাকা ৯০ পয়সায়।

সমাপ্ত ২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ৩২ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে এএমসিএলের ইপিএস হয়েছে ৫ টাকা ৪২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৫ টাকা ৬২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ৮৮ টাকা ৫৯ পয়সায়।

এএমসিএলের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘এএ মাইনাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৫ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন, ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত অনিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)।

১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত এএমসিএলের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৮ কোটি টাকা। রিজার্ভে রয়েছে ৬২ কোটি ৩১ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৮০ লাখ। এর ৪০ দশমিক ১৫ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ২৭ দশমিক ৮৯ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৩১ দশমিক ৯৬ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।