এবার বাসমতী চালের ন্যূনতম রফতানি মূল্য বেঁধে দিয়েছে ভারত। স্থানীয় চালের বাজার নিয়ন্ত্রণে রাখতেই এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে বলে জানান বাজার সংশ্লিষ্টরা। খবর ওয়ার্ল্ডগ্রেইনডটকম।
জুলাইয়ে ভারত বাসমতী নয় এমন সাদা চাল রফতানি বন্ধ ঘোষণা করে। ২৫ আগস্ট সেদ্ধ চালের ওপর ২০ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়। এদিকে রফতানি নিষেধাজ্ঞার পর অনেক ব্যবসায়ী নন-বাসমতী চালকে বাসমতী হিসেবে উল্লেখ করে রফতানি করছেন বলে জানা গেছে।
সরকার সংশ্লিষ্টরা জানান, নন-বাসমতী চালকে বাসমতী হিসেবে রফতানি বন্ধে বেঁধে দেয়া ন্যূনতম দাম সহায়ক ভূমিকা পালন করবে। ভারত প্রতী বছর অন্তত চার লাখ টন বাসমতী চাল রফতানি করে। যেসব দেশে রফতানি করা হয় সেগুলোর মধ্যে অন্যতম ইরান, ইরাক, ইয়েমেন, সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও যুক্তরাষ্ট্র।
বৈশ্বিকভাবে চালের মূল্য বৃদ্ধি পেতে শুরু করলে গত বছর ভাঙা চাল রফতানিতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার। পাশাপাশি তখন বাসমতী নয় এমন সাদা চালের রফতানির ওপর ২০ শতাংশ শুল্কারোপ করা হয়। এর পরও দেশটির অভ্যন্তরীণ বাজারে বাড়তে থাকে চালের দাম। গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতী বছরের মে পর্যন্ত ভারতের অভ্যন্তরীণ বাজারে চালের দাম প্রায় ৩০ শতাংশ বাড়ে। দেশের ভেতরে চালের ঊর্ধ্বমুখী দাম সামাল দিতে চলতী বছরের ২০ জুলাই বাসমতী নয় এমন সাদা চাল রফতানিতেও নিষেধাজ্ঞা দেয় ভারত সরকার। ভারত থেকে মোট রফতানি হওয়া চালের প্রায় ২৫ শতাংশ ননবাসমতী সাদা চাল।










