বড় ধরনের প্রবৃদ্ধি দেখেছে গায়িকা ও মডেল ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের ফ্যাশন ও সৌন্দর্য পণ্যের ব্যবসা। ২০২৩ সালে আগের বছরের তুলনায় ব্র্যান্ডটির বিক্রি বেড়েছে ৫২ শতাংশ। এ সময় কোম্পানিটি আয় করেছে ৮ কোটি ৯০ লাখ পাউন্ড, যার মাধ্যমে সংকুচিত হয়েছে লোকসানের পরিমাণ। খবর দ্য গার্ডিয়ান।

সংস্থাটি জানিয়েছে, অনলাইনে ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম ব্র্যান্ডের চাহিদা বেড়েছে। এছাড়া সেন্ট্রাল লন্ডনের মেফেয়ার স্টোর ও পাইকারি বিক্রেতাদের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ বিক্রি বেড়েছে। ২০২২ সালের কোম্পানিটি ৯ লাখ পাউন্ড লোকসান করলেও গত বছর তা সংকুচিত হয়ে ২ লাখ পাউন্ডে নেমে এসেছে।

মূলত পুনর্গঠন প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতায় লোকসান কমে আসছে ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম লিমিটেডের। ২০১৭ সালে প্রাইভেট ইকুইটি গ্রুপ এনইও ৩ কোটি পাউন্ড বিনিয়োগ করে কোম্পানিটিতে। তবে এতে কী পরিমাণ অংশীদারত্ব বিনিময় হয়েছে তা প্রকাশ হয়নি। পুনর্গঠনের অংশ হিসেবে স্টোরে যুক্ত হয় চামড়ার তৈরি পণ্য ও নতুন বিউটি প্রডাক্ট।

নতুন বিনিয়োগের পরও ২০২২ সালে কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যায় ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম লিমিটেড। ওই সময় সাবেক এ স্পাইস গার্ল তারকা, তার স্বামী সাবেক ইংল্যান্ড ফুটবলার ডেভিড বেকহ্যাম ও এনইও ব্যবসা চালিয়ে যেতে ৬৯ লাখ পাউন্ডের তহবিল সংগ্রহ করে।

গত বছর নতুন পণ্য বাজারে এনে অনেক বিলাসবহুল ব্র্যান্ডকে ছাড়িয়ে যায় বেকহ্যাম। ওই সময়ে ক্রমবর্ধমান সুদহার ও চীনের অর্থনৈতিক মন্থরতা বিলাসপণ্যের বাজারে প্রভাব ফেলে। সে পরিস্থিতিতে বৈচিত্র্যকরণ ফর্মুলা কাজে লাগিয়ে সুফল পায় ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম।

২০০৮ সালে নিজের নামে ব্র্যান্ড চালু করেন ভিক্টোরিয়া বেকহ্যাম। নানা প্রতিকূলতার মাঝে দেড় দশক ধরে হাই প্রোফাইল ইমেজ ধরে রেখেছে। গত বছর হাই স্ট্রিট চেইন ম্যাঙ্গো ও ডেভিড বেকহ্যামের ওপর নেটফ্লিক্সের জনপ্রিয় ডকুমেন্টারি ব্র্যান্ডটির পরিচিতি আরো ছড়িয়ে দেয়। এরই মধ্যে স্ট্রিমিং কোম্পানিটি ভিক্টোরিয়ার ওপর একটি ডকুমেন্টারি সিরিজের কাজ শুরু করেছে।

২০২৩ সালে ভিক্টোরিয়া বেকহ্যামের সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া আইটেমের অন্যতম ওয়েস্ট মিডি ড্রেস। স্পেনের রানী ও মডেল কেন্ডাল জেনারের পরা পোশাকটি কোম্পানির প্রতি ১০টি অনলাইন বিক্রির একটি ছিল। চলতি বছরও পোশাকটি বেস্টসেলার স্ট্যাস্টাস ধরে রেখেছে।