পাম অয়েল সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে একসঙ্গে কাজ করবে মালয়েশিয়া ও চীন। এ লক্ষ্যে সম্প্রতি দুই দেশের মধ্যে একটি সমঝোতা চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে। পাম অয়েল বাণিজ্য ও সহযোগিতা জোরদারে ভূমিকা রাখবে এ চুক্তি, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। খবর রয়টার্স।

চায়না চেম্বার অব কমার্স অব ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অব ফুডস্টাফস, নেটিভ প্রডিউস অ্যান্ড অ্যানিমেল বাইপ্রডাক্টসের (সিএফএনএ) সঙ্গে মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড এ চুক্তি করে। 

মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড জানায়, চুক্তিটি মালয়েশিয়াকে চীনে পাম অয়েলের বাজার ফিরে পেতে সহায়তা করবে। 

মালয়েশিয়া বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ পাম অয়েল উৎপাদনক দেশ। বিপরীতে চীন বিশ্বের দ্বিতীয় বৃহত্তম ভোক্তা। ফলে চুক্তিটিকে দুই দেশের জন্যই সুদূরপ্রসারী বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। 

চীনে মালয়েশিয়ান টেকসই পাম অয়েলের প্রচারণায় দুই দেশের সংশ্লিষ্টরা সম্মিলিতভাবে কাজ করবে। পাশাপাশি পাম বাগানগুলোয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ নতুন প্রযুক্তি ডিজাইন ও ব্যবহারে কাজ করা হবে।  

চুক্তি অনুসারে, চীনের বাজারে মালয়েশিয়া পাম অয়েলের সরবরাহ নিরবচ্ছিন্ন রাখবে। একই সঙ্গে পাম অয়েল উৎপাদন বাড়াতে প্রয়োগ করবে নতুন প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা। এক্ষেত্রে প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে পাশে দাঁড়াবে চীন। ফলে আগামী দিনগুলোয় পাম অয়েল উৎপাদন বাড়বে, অন্যদিকে কমে আসবে মানুষের ওপর নির্ভরশীলতা।

মালয়েশিয়ান পাম অয়েল বোর্ড বিশেষ বিবৃতিতে জানিয়েছে, দেশে পাম অয়েল সরবরাহ নিশ্চিত রাখতেই চীন মালয়েশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে চায়। সমঝোতা চুক্তিটি মালয়েশিয়ান পাম অয়েলের প্রতি চীনের আস্থা বাড়াতে সহায়তা করবে।

প্রসঙ্গত, ২০২২ সালে মালয়েশিয়া ৩১ লাখ ৪০ হাজার টন পাম অয়েল ও পাম অয়েলজাত পণ্য চীনে রফতানি করে।