বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছাড়িয়েছে অ্যাপলের আয় ও মুনাফা। জুলাই-সেপ্টেম্বর প্রান্তিকে টেক জায়ান্টটির আয় হয়েছে ১১ হাজার ৪৪৮ কোটি ডলার। অন্যদিকে বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল ১১ হাজার ৩৩৯ কোটি ডলার। খবর রয়টার্স।

একই সময়ে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মুনাফা হয়েছে ২ ডলার ১০ সেন্ট। যেখানে বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা ছিল ১ ডলার ৯৯ সেন্ট। নতুন আইফোন ১৮ প্রো মডেলের আগাম চাহিদা ও কিছু পণ্যের দাম বাড়ানোর কারণে এ আয় বেড়েছে বলে জানায় প্রতিষ্ঠানটি।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত প্রান্তিকে আইফোন বিক্রি থেকে অ্যাপলের আয় হয়েছে ৫ হাজার ৭৫৮ কোটি ডলার। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল ৫ হাজার ৬৫৪ কোটি ডলার। এ আয়ের মধ্যে আইফোন ১৮ প্রো মডেলের বিক্রি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। তবে আইফোন ডুয়োর বিক্রি এতে যুক্ত হয়নি।

এদিকে বিশ্বজুড়ে মেমোরি চিপের দাম বাড়ায় উৎপাদন ব্যয়ের ওপর চাপ তৈরি হয়েছে অ্যাপলের। পরিস্থিতি সামাল দিতে আইফোন ১৭ সিরিজের কয়েকটি মডেলের দাম ১০০ ডলার পর্যন্ত বাড়িয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। কিছু ম্যাকবুকের দামও বাড়ানো হয়েছে সম্প্রতি।

অ্যাপলের নতুন প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) জন টার্নাস রয়টার্সকে জানান, এপ্রিল-জুনের তুলনায় মেমোরি চিপের দাম অনেকটা বেড়েছে গত প্রান্তিকে। তবে আগের কেনা যন্ত্রাংশের মজুদ ও মেমোরি চিপ ছাড়া অন্যান্য কিছু উপাদানের দাম কমায় বাড়তি ব্যয়ের প্রভাব কিছুটা সামাল দেয়া সম্ভব হয়েছে।

গত প্রান্তিকে ম্যাক কম্পিউটার বিক্রি থেকেও প্রত্যাশার চেয়ে বেশি আয় করেছে অ্যাপল। এ খাতে আয় হয়েছে ১ হাজার ৭৯ কোটি ডলার। বিশ্লেষকদের পূর্বাভাস ছিল ৯৬১ কোটি ডলার।

অ্যাপলের প্রথম ফোল্ডেবল স্মার্টফোন আইফোন ডুয়ো বিক্রি নিয়েও চাপে রয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। বাজারে ফোনটির চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। জন টার্নাস জানান, ডিসপ্লেতে ত্রুটি দেখা দেয়ার অভিযোগ পাওয়া কিছু গ্রাহকের ফোন পরিবর্তন করে দিচ্ছে অ্যাপল। তবে চাহিদা ও সরবরাহের মধ্যে ভারসাম্য কবে ফিরবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়।