প্রকৌশল খাতে তালিকাভুক্ত আনোয়ার গ্যালভানাইজিং লিমিটেডের সর্বশেষ ঋণমান দীর্ঘমেয়াদে ‘‌এ প্লাস’ ও স্বল্পমেয়াদে ‘‌এসটি-৩’। ৩০ জুন সমাপ্ত ২০২৬ হিসাব বছরের নিরীক্ষিত আর্থিক প্রতিবেদন এবং রেটিং ঘোষণার দিন পর্যন্ত প্রাসঙ্গিক অন্যান্য পরিমাণগত ও গুণগত তথ্যের ওপর ভিত্তি করে এ প্রত্যয়ন করেছে ক্রেডিট রেটিং ইনফরমেশন অ্যান্ড সার্ভিসেস পিএলসি (সিআরআইএসএল)। ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

আর্থিক প্রতিবেদন অনুসারে, সর্বশেষ ২০২৫-২৬ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ ঘোষণা করেছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে কোম্পানিটি ইপিএস হয়েছে ৮ টাকা ২৬ পয়সা।

আগের হিসাব বছরে শেয়ারপ্রতি লোকসান ছিল ১২ টাকা ৩২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৬ শেষে কোম্পানিটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদমূল্য (এনএভিপিএস) দাঁড়িয়েছে ৯ টাকা ৬৪ টাকায়।

২০২৪-২৫ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের জন্য কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করেনি কোম্পানিটির পর্ষদ। আলোচ্য হিসাব বছরে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের শেয়ারপ্রতি লোকসান হয়েছে ১২ টাকা ৩২ পয়সা। আগের হিসাব বছরে ইপিএস ছিল ২ টাকা ৭২ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৫ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১ টাকা ৩৮ পয়সায়।

২০২৩-২৪ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ২ টাকা ৭২ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ১ টাকা ৯৭ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৪ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১৪ টাকা ৭০ পয়সায়।

২০২২-২৩ হিসাব বছরে বিনিয়োগকারীদের ১০ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দিয়েছে কোম্পানিটি। আলোচ্য হিসাব বছরে আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের ইপিএস হয়েছে ১ টাকা ৯৭ পয়সা, আগের হিসাব বছরে যা ছিল ৬ টাকা ৪১ পয়সা। ৩০ জুন ২০২৩ শেষে কোম্পানিটির এনএভিপিএস দাঁড়িয়েছে ১২ টাকা ৯৮ পয়সায়।

১৯৯৬ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত আনোয়ার গ্যালভানাইজিংয়ের অনুমোদিত মূলধন ৫০ কোটি ও পরিশোধিত মূলধন ৩০ কোটি ১৮ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঞ্জীভূত লোকসানের পরিমাণ ২৬ কোটি ২ লাখ টাকা। মোট শেয়ার সংখ্যা ৩ কোটি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৮০। এর ৩৫ দশমিক ৩২ শতাংশ রয়েছে উদ্যোক্তা পরিচালকদের কাছে। এছাড়া প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে ১৮ দশমিক ৮৪ ও সাধারণ বিনিয়োগকারীদের হাতে বাকি ৪৫ দশমিক ৮৪ শতাংশ শেয়ার রয়েছে।