চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় কৃষকদের মাঝে তুলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে। বাড়ছে আবাদি জমি ও চাষীর সংখ্যাও। চলতি অর্থবছরে এ দুই জেলায় ১২ হাজার ৫০০ টন তুলা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক তুলা উন্নয়ন বোর্ড।
চাষীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এ দুই জেলায় তুলা চাষ অনেক বেশি লাভজনক হয়ে উঠছে। জমির উর্বরা শক্তি বাড়াতেও এটি সহায়তা করে। দেশের বাজারে তুলার ব্যাপক চাহিদা। চাষীদের আকৃষ্ট করতে সরকারিভাবে প্রণোদনা ও দামে স্থিতিশীলতা আনার দাবি জানিয়েছেন তারা।
চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক তুলা উন্নয়ন বোর্ডের দেয়া তথ্যমতে, চুয়াডাঙ্গা ও মেহেরপুর জেলায় ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দুই জেলায় ৪ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে তুলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে চাষ হয়েছে ৪ হাজার ১৮২ হেক্টরে। চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৮ হাজার ৩১০ জন ও মেহেরপুর জেলায় ৭ হাজার ১১২ জন চাষী তুলা চাষ করেছেন। এ বছর ১২ হাজার ৫০০ টন তুলা উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। এ অঞ্চলে বাণিজ্যিকভাবে তুলা চাষ হচ্ছে। বর্তমানে উচ্চ ফলনশীল হাইব্রিড জাতের তুলা চাষ করছেন চাষীরা। তুলা উন্নয়ন বোর্ডের উচ্চ ফলনশীল জাতের তুলা বোর্ড-১২, ১৩ ও ১৪ জাত, রূপালী-১, হোয়াইট গোল্ড-১ ও ২, ডিএম-৪ ও শুভ্র-৩ জাতের তুলা চাষ হচ্ছে।
চুয়াডাঙ্গার প্রধান তুলা উন্নয়ন কর্মকর্তা সেন দেবাশীষ জানান, আমরা কৃষকদের বিভিন্নভাবে তুলা চাষে উদ্বুদ্ধ করছি। যেহেতু তুলা ছয় মাসের ফসল, সে কারণে তুলা চাষে দুই লাইনের মধ্যবর্তী স্থানে লালশাক, মুলা ও মাষকলাই লাগানোর পরামর্শ দিয়েছি। তারা একই সময় দুটি ফসল চাষ করে বেশি লাভবান এবং জমির সর্বোচ্চ সৎ ব্যবহার করতে পারবেন। আগামীতে কর্মসূচি আকারে কৃষকদের সাথী ফসলের সঙ্গে তুলা চাষে সহায়তা করা হবে।










