ভোমরা স্থলবন্দরে মসলাপণ্য শুকনা হলুদ আমদানিতে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেখা দিয়েছে। চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে আমদানি গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৫ শতাংশ বেড়েছে। তবে আমদানি বাড়লেও সাতক্ষীরার পাইকারি ও খুচরা বাজারে কমছে না পণ্যটির দাম।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা গিয়েছে, চলতি ২০২২-২৩ অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত এ বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে ৬ হাজার ৯৯৩ দশমিক ৮৪ টন, যার মূল্য ৮৪ কোটি ৪৪ লাখ টাকা। যেখান থেকে সরকারের রাজস্ব আয় হয়েছে ৪ কোটি ২২ লাখ টাকা। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ বন্দর দিয়ে শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছিল ৪ হাজার ৯৮৫ টন, যার আমদানি মূল্য ৫৬ কোটি ৪৫ লাখ টাকা। সরকারের রাজস্ব আয় এসেছিল ২ কোটি ৮২ লাখ টাকা। সে হিসাবে চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে পণ্যটি আমদানি বেড়েছে ১ হাজার ৯২৮ টন। একই সঙ্গে রাজস্ব আয় বেড়েছে ১ কোটি ৪ লাখ টাকা।

ভোমরা বন্দরের অন্যতম মসলাপণ্য আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাফসান ট্রেডার্সের স্বত্বাধিকারী মো. আবু হাসান জানান, চলতি অর্থবছর তার প্রতিষ্ঠানে শুকনা হলুদ আমদানি বেড়েছে অন্তত ২০ শতাংশ। গত অর্থবছরের জুলাই-সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রতি মাসে ১৬০-১৭০ ট্রাক শুকনা হলুদ আমদানি হয়েছে। সম্প্রতি চাহিদা বেড়ে মাসে ১৮০-১৯০ ট্রাক পর্যন্ত হলুদ আমদানি করছে তার প্রতিষ্ঠান।

সাতক্ষীরা জেলা সদরের সুলতানপুর বড় বাজারের পাইকারি মসলা ব্যবসায়ী জহুরুল হক জানান, গতকাল গুঁড়ো হলুদ পাইকারি বিক্রি করেছেন প্রতি কেজি ১৭৫ টাকা দরে, যা এক মাস আগেও ১৫৫-১৬০ টাকায় বিক্রি হয়েছিল। জহরুল হক বলেন, ভোমরা বন্দর থেকে শুকনা হলুদ এনে মিলে মাড়াই করার পর প্রায় ১৬৫-১৭০ টাকা খরচ পড়ে যায়। ফলে আমদানি বাড়লেও দাম কমছে না। খুচরা বাজারেও প্রতি কেজি গুঁড়ো হলুদ ১৮০-১৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।